ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় সরকারি অর্থায়নে নির্মাণ করা হবে আরও ৭৬টি আধুনিক পাবলিক টয়লেট। এর মধ্যে তিনটি টয়লেট বসাতে অর্থায়ন করবে ডিএনসিসি। বাকিগুলো তৈরি হবে এই সংস্থার ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উন্মুক্ত স্থানসমূহের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও সবুজায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে একটি পাঁচতারা হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাহুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। যৌথভাবে এর আয়োজন করে ডিএনসিসি ও ওয়াটার এইড।
সভায় জানানো হয়— ৭৬টি টয়লেট নির্মাণে ব্যয় হবে ৩০ কোটি টাকা। এগুলোর কাজ শেষ হবে ২০১৮ সালে। ডিএনসিসি’র নিজস্ব অর্থায়নে মিরপুর ১২ নং বাসস্ট্যান্ডে একটি পাবলিক টয়লেটের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নতুন বাজার ও বাউনিয়া বাঁধে আরও দুটি টয়লেট বানানো হচ্ছে।
সম্প্রতি ডিএনসিসি’র বিভিন্ন এলাকায় ওয়াটার এইডের সহযোগিতায় ১০টি আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। আরও তিনটি টয়লেট নির্মাণাধীন রয়েছে। ২০১৪ সালের ২৬ আগস্ট ডিএনসিসি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ওয়াসার সঙ্গে ওয়াটার এইডের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর অংশ হিসেবে ওয়াটার এইড এই পাবলিক টয়লেটগুলোর নির্মাণ কাজ করছে। বুধবারের সভায় এসব জানান ওয়াটার এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মো. খায়রুল ইসলাম। এছাড়া ডিএনসিসি’র মিরপুরের রাইনখোলা ও মহাখালী মোড়ে দুটি আধুনিক টয়লেট নির্মাণ করছে ওয়ার্ল্ড টয়লেট অ্যাসোসিয়েশন।
পাবলিক টয়লেটগুলোতে থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। এগুলো হলো— নারী ও পুরুষের আলাদা ব্লক, প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতা ও আলাদা ব্লক, নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা, নিরাপদ খাবার পানি, হাত ধোয়ার জন্য তরল সাবান ও শুকানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের জন্য আইপিএস বা সোলারের ব্যবস্থা, স্যানিটারি ন্যাপকিন, টিস্যু পেপারের ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলো বাতাস প্রবেশের জন্য উপযোগী নকশা প্রণয়ন, মহিলা টয়লেটে অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে নারীকর্মী নিয়োগ, টয়লেট চত্বরে সবুজবেষ্টনী ও দিকনির্দেশনামূলক সাইনেজ।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. তারেক বিন ইউসুফ, ডিএনসিসি’র সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।








