বর্তমানে দেশে ২১টি প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে আরও দুটি প্রতিষ্ঠান করোনা পরীক্ষার জন্য যুক্ত হয়েছে। একটি সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং আরেকটি হচ্ছে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজে। এছাড়া এই সপ্তাহে মোট ২৮টি ল্যাবে পরীক্ষা শুরু করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিদিনের স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান তিনি।
নাসিমা সুলতানা বলেন, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত ২১টি প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষা চলছিল। শনিবার আরও দুটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। একটি ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং আরেকটি কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা, তা এই সপ্তাহের মধ্যে শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করি। যেসব মেডিক্যাল কলেজে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছিল তারা এই সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করতে পারবে।ঃ
হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতি নেই
কোনও হাসপাতালেই অক্সিজেনের ঘাটতি নেই বলেও জানান অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল ও আইসোলেশন ইউনিটে অক্সিজেন সরবরাহের কোনও ঘাটতি নাই। সারাদেশের সব উপজেলায় মোট ১০ হাজার ৩৯৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে। মেডিক্যাল কলেজ এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল বাদে ৮টি বিভাগে অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে ১৩ হাজার ৭৪৫টি। ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালেও অক্সিজেন সিলিন্ডারের ঘাটতি বা সংকট নাই। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৪৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে, কিন্তু সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা নেই। কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালেও ১২০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ১২টি ম্যানিফল্ড অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা আছে। করোনা সংকটে আরও ৩ হাজার ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে এই অক্সিজেন সিলিন্ডার দেশে এসে পৌঁছাবে। তাছাড়া ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডার পুনরায় রিফিল করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় । কাজেই অক্সিজেন ঘাটতি নিয়ে গণমাধ্যমে যে তথ্য প্রকাশ হয়েছে সেটা অসত্য এবং পুরানো তথ্য।








