ইন্দোনেশিয়ায় ৯৯ শিশুর মৃত্যুর পর দেশটিতে সব সিরাপ ও তরল ওষুধ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার কফ সিরাপ ব্যবহারের পর মারাত্মক কিডনি জটিলতায় প্রায় ৭০ শিশুর মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া একই ধরনের ঘটনা ঘটে। ইন্দোনেশিয়ার তিনটি কোম্পানির পাঁচটি সিরাপ বাংলাদেশে ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। বুধবার (২ নভেম্বর) ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক মো. আশরাফ হোসেন সাক্ষরিত একটি চিঠিতে এসব কথা বলা হয়। তবে এই ওষুধ বাংলাদেশে আসে না বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন মো. আশরাফ হোসেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার র্যাপিড এলার্ট টিম ইন্দোনেশিয়ার তিনটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পিটি কনিমেক্স, পিটি জারিন্ড, ফার্মতামা ইউনিভার্সাল ফার্মাসিউটক্যালস ইন্ডাস্ট্রির পাঁচটি সিরাপ বিক্রির বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার ড্রাগ রেগুলেটরি দেশটিতে রেড এলার্ট জারি করেছে বলে ওষুধ প্রশাসনকে জানিয়েছে।
সিরাপগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ইথিলিন গ্লাইকল এবং ডাই ইথালিনগ্লাইকল পাওয়া যচ্ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার র্যাপিড এলার্ট টিম জানিয়েছে। ওষুধগুলো হচ্ছে– টারমোরেক্স সিরাপ, ফ্লুরিন ডিএমপি সিরাপ, ইউনিবেবি কফ সিরাপ, ইউনিবেরি ডেমাম প্যারাসিটামল সিরাপ, ইউনিবেবি ফিভার ড্রপস।
ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে, কিছু সিরাপ জাতীয় ওষুধে মারাত্মক কিডনি জটিলতার (একেআই) সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন কিছু উপাদান পাওয়া গেছে। এগুলোর কারণে চলতি বছর ৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত মাসের প্রথমদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গাম্বিয়ায় প্রায় ৭০ শিশুর মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত চারটি কফ সিরাপের ওপর একটি বৈশ্বিক সতর্কতা জারি করে। ডব্লিউএইচও দেখতে পায় সেখানে যে সিরাপগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলোতে ‘অগ্রহণযোগ্য পরিমাণ’ ডাইইথিলিন গ্লাইকল ও ইথিলিন গ্লাইকল আছে।









