ডেঙ্গু চক্রে বাংলাদেশ

শেরিফ আল সায়ার
২৫ জুলাই ২০২৩, ২২:০০আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৩, ২২:৩৭

চলতি বছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি লাগামহীন। গত বছর ডেঙ্গুর যে প্রাদুর্ভাব শুরু হয় সেটা এখনও চলমান বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ১৫ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়— প্রতিবছরের মে-জুন মাস থেকে হাসপাতালে ডেঙ্গুর রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে এবং এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় আগস্ট কিংবা সেপ্টেম্বর মাসে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননের সঙ্গে বৃষ্টি ও তাপমাত্রার সম্পর্ক রয়েছে। মে-জুন থেকে বৃষ্টিপাত বাড়তে শুরু করে এবং তাপমাত্রাও বেশি থাকে। বাংলা ট্রিবিউন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে—গত বছর (২০২২) শুরু হওয়া ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসেনি, বরং সেটিই চলমান আছে। চলতি বছর (২০২৩) ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কিছুটা কম হলেও মে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এতে প্রশ্ন তৈরি হয়—ডেঙ্গু কি তাহলে বাংলাদেশে ১২ মাসের চক্রে প্রবেশ করলো?

ডেঙ্গু চক্রে বাংলাদেশ ডেঙ্গু ঝুঁকিতে সারা বিশ্ব ও বাংলাদেশ
এখন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতিবছর ১০০-৪০০ মিলিয়ন মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন, যার মধ্যে ৮০ শতাংশ সাধারণ চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। ডেঙ্গুর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলো।

সবশেষ গত ৪ জুলাই এডিস মশার প্রাক-মৌসুম জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ‘পুরো ঢাকার সবাই ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে’। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে প্রাক-মৌসুম জরিপে এ মন্তব্য করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম জরিপের তথ্য তুলে ধরে ওই সম্মেলনে জানান, ঢাকা উত্তর সিটির ৪০টি ওয়ার্ডে এবং দক্ষিণ সিটির ৫৮টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ৩ হাজার ১৪৯টি বাড়িতে জরিপ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৫৪৯টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

অধ্যাপক নাজমুল সম্মেলনে আরও জানান, ‘এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ২০ শতাংশের বেশি হওয়া মানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে।’

ডেঙ্গু চক্রে বাংলাদেশ ২০০৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গু
২০০৮ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যার দিকে নজর দিলে দেখা যায়—২০১৮ সাল থেকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরে ২০১৯ সালে সেটি ১ লাখে গিয়ে পৌঁছায়। ২০২০ সালে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা (১ হাজার ৪০৫ জন) নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। কিন্তু ২০২১ সালের সংখ্যাটিও কম নয় (২৮ হাজার ৪২৯ জন)। ২০২২ সালে আবারও ডেঙ্গু ভয়ংকর রূপে ফিরে আসে। ওই বছর হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তির সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ৩৮২ জন।

১২ মাসের চক্রে ডেঙ্গু

২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়— বছরের প্রথম ছয় মাসেই ডেঙ্গু ছিল নিয়ন্ত্রণহীন। লাগামহীন থাকায় জুলাই মাস থেকে সেটি তীব্রতর হয়। এই তীব্রতা কমতে শুরু করে সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরে। বছর শেষে রোগী ভর্তির সংখ্যা কমলেও সেটি আর শূন্যের ঘরে নেমে আসেনি। সবশেষ ডিসেম্বর মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শূন্যের ঘরে ছিল ২০১২ সালে। অন্যদিকে ২০১৮ সাল থেকে শুধু ডিসেম্বর মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ২৯৩ জন, ২০১৯ সালে ১২৪৭ জন, ২০২০ সালে ২৩১ জন, ২০২১ সালে ১২০৭ জন, ২০২২ সালে ৫০২৪ জন।

ডেঙ্গু চক্রে বাংলাদেশ এমনকি বছরের শুরুতেও ডেঙ্গু খুব একটা নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল না। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০ এবং ২০২১ সালে ডেঙ্গু কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে ছিল। যদিও এই দুই বছরে করোনা মহামারির কারণে ভিন্নভাবে দেখা যায়। এছাড়া ২০২২ এবং ২০২৩ সালে যথাক্রমে ১০৮৯ জন এবং ৭৯৭৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।

মাসভিত্তিক ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যার চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, বছরের মে-জুন থেকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং সেটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় আগস্ট কিংবা সেপ্টেম্বরে। ২০১৯ সালের ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুধু আগস্ট মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৬৩৬ জন এবং সেপ্টেম্বরেই সেটি কমে হয় ১৬ হাজার ৮৫৬। কিন্তু ২০২২ সালে দেখা যায়— জুন-জুলাইয়ে ডেঙ্গু রোগী বাড়তে থাকলেও সেটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে অক্টোবরে। ২০২৩ সালের মে মাস থেকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং খুব অস্বাভাবিকভাবে জুলাই মাসেই অন্যান্য বছরের রেকর্ড ভেঙে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা (২৪ জুলাই পর্যন্ত) ২৭ হাজার ২৯২ জন।

ডেঙ্গু চক্রে বাংলাদেশ ২০২২ সালের চিত্র ভিন্ন কেন?

২০২২ সালের ডেঙ্গু রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওই বছর রোগী ভর্তি সর্বোচ্চ সংখ্যায় পৌঁছায় অক্টোবর মাসে। সর্বোচ্চ সংখ্যক ২১ হাজার ৯৩২ জন রোগী অক্টোবর মাসে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেটি নভেম্বরে কিছুটা কমে ১৯ হাজার ৩৩৪ জন হয়। চলতি বছরেও (২০২৩) জুলাই মাসে প্রায় ৩০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ভর্তি রোগীর সংখ্যা, যা আগে কখনও হয়নি। ২০২২ ও ২০২৩ সালে কেন ভিন্ন হলো এমন প্রশ্নের উত্তরে কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত বছর অক্টোবরে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী ভর্তি ছিল। সেটা নামতে নামতে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত সময় নিয়েছে। ওই ধাক্কাটা কমিউনিটিতে রয়েছে গেছে, সুতরাং যখন বৃষ্টিপাত বেড়েছে তখন এটা জ্যামিতিক হারে বাড়তে শুরু করছে।’ সেক্ষেত্রে গত বছরের প্রাদুর্ভাবটিই এখনও চলমান আছে কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘গত বছরের প্রাদুর্ভাবের বর্ধিত পর্যায়েই আমরা আছি এবং ১২ মাসের চক্রে পড়ে গেছি অর্থাৎ এখন ডেঙ্গু সারা বছরের রোগ হয়ে যাচ্ছে’।

একই প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন এপিডেমিওলোজিস্ট বলেন,  এমনটা হওয়ার পেছনে পরিবেশগত পরিবর্তন অনেক কারণের একটি। যেমন, এ বছর ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা বৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু এ বছর শ্রাবণ মাস এখন প্রায় বৃষ্টিশূন্য। ডেঙ্গু মৌসুমে যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা ইনফেকটেড মশাকে টার্গেট করে মারতে না পারবো, এই অবস্থা থেকে হয়তো উত্তরণ খুব সহজ হবে না। আর ইনফেকটেড মশাকে টার্গেট আর আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেট করতে এপিডেমিওলজিক্যাল সার্ভেইলেন্সটা অত্যন্ত জরুরি— যেটা এখনও অনুপস্থিত। এই সার্ভেইলেন্স পদ্ধতি কার্যকর করতে দরকার অনেক মন্ত্রণালয়ের নিবিড় সমন্বয় এবং একটা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে তাহলে পদক্ষেপ কী হবে?

মশা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মশক নিধনে প্রতিদিনই নতুন কিছু কনসেপ্ট নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের টোটাল যে সিস্টেম আছে তার সঙ্গে আর কী কী যুক্ত করা যায় সেসব নিয়েও ভাবা হচ্ছে। কলকাতা ও মিয়ামিতে মশা নিধনে তারা বিটিআই কীটনাশক ব্যবহার করে। আমরাও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তা ব্যবহার শুরু করবো। বিটিআই খুব দ্রুত পোর্টে চলে আসবে। কলকাতা মডেলের ল্যাবের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবের সঙ্গে চুক্তিও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাঠে আমাদের কর্মীরা কাজ করছেন। মশক নিধন টিম ছাড়াও আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিমসহ অন্য বিশেষজ্ঞরা ডিএনসিসির ১০ অঞ্চলে গিয়ে এই মশার লার্ভা পেলে জরিমানা করছেন। কল সেন্টারের মাধ্যমে নগরবাসীকে ফোন করে তাদের বাসার আশপাশে যেন পানি না জমে সে বিষয়ে সতর্ক করছি। ইতোমধ্যে ৯ হাজার ফোন করা হয়েছে। চেষ্টা করছি যেন প্রতিদিন ১০ হাজার লোককে ফোন করতে পারি।

এত কিছুর পরেও মশা নিধন সম্ভব হচ্ছে না কেন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটি আমারও প্রশ্ন। আমাদের আরও সচেতনতা বাড়াতে কাজ করতে হবে, মানুষকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে।

এদিকে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রতি ওয়ার্ডে ১৩ জন করে দৈনিক ৯৭৫ জন মশকনিধন কর্মী কাজ করছেন। তারা সকালে লার্ভিসাইডিং এবং বিকালে ফগিং করেন উল্লেখ করে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পুরো কার্যক্রম কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তদারকি করা হয়। এছাড়া ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়’।

নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে করণীয় কী?
এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে অধ্যাপক কবিরুল বাশার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং মানুষের আচরণের কারণে এডিস মশা নিজেকে পরিবর্তিত করে নিয়েছে। মশার পরিবর্তিত আচরণ জেনে যদি সঠিক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি উদ্ভাবন এবং তার প্রয়োগ করা যায়, তখনই এটিকে নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে। আমাদের গবেষণায় পেয়েছি এডিস মশা সুয়ারেজের পানি, ড্রেনের পানি এবং এমনকি সমুদ্রের নোনা পানিতেও ডিম পাড়ে এবং তার জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে। এমনকি সে দিনে-রাতে দুই বেলাতেই কামড়ায়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কোনও পরামর্শক বা জাতীয় কমিটির প্রয়োজন আছে কিনা এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অসংক্রামক ও সংক্রামক রোগ বিভাগের পরিচালক রোবেদ আমিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যখন করোনার মতো অপরিচিত কোনও মহামারি আমাদের সামনে আসে তখন বিশ্বব্যাপী নানা রকমের কমিটি করে সেটা মোকাবিলা করার দরকার হয়। ডেঙ্গু নিয়ে গত কুড়ি বছর ধরে চলছি আমরা। এখনও এটাকে ঠিক মহামারি বলা যাচ্ছে না। আগের বছরের তুলনায় অতিরিক্ত মৃত্যু হলে সেটা হয়তো পরে মহামারির আকার নিতে পারে।  

তিনি বলেন, এ বছর বিশ্বজুড়েই ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি। আমাদের এখানে ডেঙ্গু নিয়ে পৃথক প্রোগ্রাম নেই, ফলে সেটাকে ফোকাস করে কাজ হয় বলা যাবে না। ডেঙ্গু কমাতে সবার আগে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যদি এমন পরিস্থিতি হয় যে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জায়গা দেওয়া যাচ্ছে না, তখন তারা জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনা করবে। এর আগে পর্যন্ত যার যার কাজটি করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

/ইউআই/এমএস/ইউএস/এএইচপি/এমওএফ/
সম্পর্কিত
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৭৭, চলতি বছরে আক্রান্ত ৩৩৮৪ 
খুলনায় ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮ জন
ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন এখন দেবো না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম