মিসরের অর্থনীতিতে আয়ের বড় অংশ আসে পর্যটন খাত থেকে। দেশটির ঐতিহাসিক ও পুরাতত্ত্বের প্রতি সারা দুনিয়ার পর্যটকদের আগ্রহ রয়েছে। মিসরের প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত শিলালিপি ও পিরামিড মুগ্ধ করে সবাইকে।
নতুন খবর হলো, তিন হাজার বছরের পুরনো শৈল্পিক কফিন খুলে একটি নারী মমির সন্ধান মিলেছে। গত ২৪ নভেম্বর প্রথমবারের মতো এটি খুলে পরীক্ষা করে দেখেছেন মিসরের পুরাতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তারা।
মিসরের পুরাকীর্তিমন্ত্রী খালেদ আল আনানি বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, এই নারী খ্রিস্টপূর্ব ত্রয়োদশ শতকে ১৭তম রাজবংশের সদস্য ছিলেন। আরেকটি মমি ১৭তম রাজবংশের কারও।’
ব্রিটিশ গণমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব মিসরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ভ্যালি অব দ্য কিংসের কাছে এল-আসাসেফে এ মাসের শুরুতে ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদদের নেতৃত্বাধীন মিশনে দুটি প্রাচীন কফিনের সন্ধান মেলে। একটি সমাধির অভ্যন্তরে খুঁজে পাওয়া যায় ভালোভাবে সংরক্ষিত অবস্থায় খোদাই করা আরেকটি কফিন। এর ভেতরেও মমি থাকার সম্ভাবনা বেশি। এতে পাঁচ রঙের মুখোশ ও প্রায় একহাজার ক্ষুদ্র প্রস্তরমূর্তি (উশ্বতী মূর্তি) আছে।
এই সমাধিতে পৌঁছাতে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পিরামিডের ভেতর ৩০০ মিটারের পাথরকুঁচি করতে হয়েছে কর্মীদের। এর সিলিংয়ে রয়েছে রঙিন চিত্রকর্ম। এসবের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে সমাধির মালিকের চার হাজার বছর আগের টুকরো জীবন। তবে পর্যটকরা এখনই এসব মমি দেখার সুযোগ পাবেন কিনা তা জানানো হয়নি।
সূত্র: সিএনএন, সানডে এক্সপ্রেস








