জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) পুরান ঢাকার বকশীবাজারে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার আইনজীবীদের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির তারিখ ৯ মার্চ ধার্য করেছেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করেন। তারা জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হতে পারেননি। আর অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে খালেদার করা হাইকোর্টের আবেদনটি এখনও নিস্পত্তি হয়নি। উল্লেখ্য, চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া ৩২ সাক্ষীর ফের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য হাইকোর্টে একটি আবেদন করা হয়েছে।
২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলাটিতে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।
এদিকে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে তাতে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।
/ইউআই/এফএস/
আরও পড়ুন-








