আনসার বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার অভিযোগ থেকে খালাসপ্রাপ্তদের মধ্যে যাদের বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা আছে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে যাদের চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে তারা যতদিন চাকরিতে ছিলেন, তাদের ততদিনের পেনশন সুবিধা দিতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে আনসার সদস্যদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, হাইকোর্টের এই আদেশ শুধু রিটকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সূচীরা হোসাইন ও প্রতিকার চাকমা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে আনসার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়, যা পরবর্তীতে রূপ নেয় বিদ্রোহে। পরে বিদ্রোহ দমন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে সেনাবাহিনী। এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে বিদ্রোহে জড়িত থাকার অভিযোগে ২ হাজার ৪৯৬ আনসার সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়। পরবর্তীতে মামলার অভিযোগ থেকে খালাস পান আনসার সদস্যরা।
২ হাজার ৪৯৬ আনসার সদস্যের মধ্যে রুহুল আমিন ও মোজাম্মেল হকসহ ২৮৯ জন চাকরি পুনর্বহাল ও প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এ রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর আনসার সদস্যদের চাকরিচ্যুত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।
/এমটি/জেএইচ/








