একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নোয়াখালীর চার আসামির বিরুদ্ধে যে কোনও দিন রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। এখন এটি অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছে।
চার আসামি হলো নোয়াখালীর আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, আবুল কালাম ওরফে এ কে এম মনসুর, মো. জয়নাল আবদিন ও মো. আব্দুল কুদ্দুস। তবে এখনও পলাতক আছে আসামি আবুল কালাম ওরফে এ কে এম মনসুর।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম। সঙ্গে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল, প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা প্রমুখ।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী তারিকুল ইসলাম, গাজী এইচএম তামিম, মাসুদ রানা প্রমুখ।
২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর ওই চার আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। এরপর প্রসিকিউশনের কাছে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করে তদন্ত সংস্থা। এর ভিত্তিতে তৈরি করা হয় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নোয়াখালীর সুধারামে ১১১ জনকে হত্যাসহ তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
আরও পড়ুন-
নোয়াখালীর চার মানবতাবিরোধীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তি উপস্থাপন শেষ
নোয়াখালীর চার রাজাকারের বিচার শুরু








