সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচার মামলা: তারেক রহমান ও গিয়াস আল মামুনের পক্ষে জেরা হয়নি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:২৫আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:৩৩

তারেক রহমান ও গিয়াস আল মামুন সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু, ব্যাবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালককে জেরার সময় আবারও পিছিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) আসামি পক্ষ আদালতে হাজির হয়ে সময়ের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ ৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ মো. দিলজার হোসেন আদালতে সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। জেরার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ এপ্রিল।
আসামি পক্ষের আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম কোয়েল বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান। এ নিয়ে ছয়টি ধার্য তারিখে হাজির হওয়ার পরও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জেরা হয়নি।
আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম বলেন, মামলাটির তিনটি বিষয় নিয়ে উচ্চ আদালতে আমরা আবোদন করেছি। এই মামলার একজন সাক্ষীকে ফের জেরা করার কথা বলা হয়েছে। আবার মামলার চার্জশিটের দু’জন সাক্ষীকে আসামি করে আবার পরে রাজসাক্ষী বানানো হয়েছে। এছাড়া দুদক মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের চার্জশিট ফরমে রিপোর্ট দিয়েছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেই আমরা সময় আবেদন করেছি।
মামলার শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের আইনজীবী খোরশেদ আলম। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘যেহেতু মামলায় উচ্চ আদালতের কোনও স্থগিতাদেশ নেই, তাই তদন্ত ককর্মকর্তাকে জেরা করতেও কোনও বাধা নেই।’
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্টনমেন্ট থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পরে তারেক রহমান ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগ পত্র) দাখিল করেন মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় একটি ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হলে ওই কার্যাদেশ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান ও গিয়াস আল মামুন। তারা এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘নির্মাণ কনস্ট্রাকশন লি.’ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে থেকে ২০০৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার বছর সময়ে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা হাতিয়ে নেন। দুই আসামি এই টাকা সিঙ্গাপুরের ৬৫, চুলিয়া স্ট্রিটের ওভারসিজ চাইনিজ ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেডে (ওসিবিসি) পাচার করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

/টিএইচ/টিআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
বহু কাজ এখনও বাকি, কীভাবে চালু হবে শিশু হাসপাতাল
বহু কাজ এখনও বাকি, কীভাবে চালু হবে শিশু হাসপাতাল
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের