ঢাকার কাওরান বাজারে দুই বাসের পাল্লায় তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হোসেনের হাত কাটা পড়ার ঘটনায় বিআরটিসির ওই গাড়িটি নিজ জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেছেন আজহার আলী নামে এক ব্যক্তি। আদালত শুনানি শেষে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০এপ্রিল) বিআরটিসির গাড়ি জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করলে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক আহসান হাবিব এই আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধরণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মাহমুদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান।
জিআরও জানান, মঙ্গলবার ওই আসামিদের জামিন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন শুনানি না হওয়া আগামী ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।
বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ইউনুস।
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল দুই দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আফতাব আলী। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
কারাগারে যাওয়া দুই বাস চালক হলেন বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ (৩৫) ও স্বজন বাসের চালক খোরশেদ (৫০)।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের পেছনের গেটে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন (২১)। তখন তার ডান হাতটি বাসের গেটের বাইরে বেরিয়ে ছিল। এই সময় স্বজন পরিবহনের বাসটি পেছন বিআরটিসির বাসটিকে পেরিয়ে যাওয়ার জন্য ওভারটেক করার চেষ্টা করে। দুই বাসের প্রবল চাপে রাজীবের হাতটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ও দুই বাসের মাঝখানে ঝুলে থাকে।








