খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাটকো দুর্নীতির মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়নি। বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। এদিন কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। পরে আদালত খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির জন্য ১৮ মার্চ নতুন দিন ধার্য করেন।
মামলাটি বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন আদালতে বিচার চলছে।
মামলার শুনানির সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। দুপুর ১২টা ৪৭ মিনিটে কারাগার থেকে তাকে বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে কার্যক্রম শেষ হয় ১টা ৭ মিনিটে। এরপর খালেদা জিয়াকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
শুনানিতে তারা বলেন,আগের শুনানিতে মামলার আলামতসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা এখনও সেসব নথি হাতে পাইনি। তাই আমরা শুনানি করতে পারছি না। ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনও চলছে। তাই আজকের মত আমাদের সময় দেওয়া হোক।
এরপর বিচারক সময় আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৮ মার্চ পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল অভিযোগ গঠন শুনানি করেন। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে ৫ (২) ধারায় দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ গঠন করার জোর দাবি জানান। এর আগে ১০ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বিশেষ আদালতে হাজির করার জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছিলেন বিশেষ আদালত।
প্রসঙ্গত, জরুরি বিধিমালা সংযুক্ত এ মামলার অভিযোগপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করে মামলা বাতিল চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। রিট আবেদনের কারণে প্রায় ৮ বছর নিম্ন আদালতে বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। রিট খারিজ করে উচ্চ আদালত ২০১৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে দুই মাসের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।
২৪ আসামির মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভুইয়া, মন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী এবং খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রাহমান কোকো মারা গেছেন। মামলাটিতে বর্তমান আসামির সংখ্যা ২০ জন।








