রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকার একটি বাসা থেকে পায়েল পাখি (২৩) নামে এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পল্টনে একটি আবাসিক হোটেলে অভ্যর্থনা কর্মী হিসাবে চাকরি করতেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে চারটায় দিকে পশ্চিম রামপুরার উলন রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। কক্ষের জানালার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে তার ছোট ভাই রাব্বি বাসায় গিয়ে তাকে ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশসহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের রুমমেট ইসরাত জাহান ও ছোট ভাই রাব্বি জানিয়েছে, পায়েল আত্মহত্যা করেছে।
হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা সংবাদ পেয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। কি কারণে তিনি এ ঘটনাটি ঘটিয়েছেন সে বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
বরগুনা জেলার তালতলা উপজেলার নিউপাড়া গ্রামের শহিদুল হাওলাদারের সন্তান পায়েল পাখি। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল বড়।
রুমমেট ইশরাত জাহান বলেন, পাখি বেশ কয়েক দিন থেকে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। ঘুমের ওষুধ সেবন করতো। মুঠোফোনে দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলতো। কোনও কথা শেয়ার করতো না। এছাড়াও তাদের পারিবারিক সমস্যা ছিল। এসব কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করতো। হয়তো এসব কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েই আত্মহত্যা করেছে।








