রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজারের সামনে ছুরিকাঘাতে কিশোর আরিফ হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বনানী থানার সদস্যরা তাদের গ্রেফতার করে।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আজম খান। গ্রেফতারকৃত জনি (১৮) বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় পুলিশ পরিচয় প্রকাশ করেনি।
শুক্রবার (১ জানুয়ারি) ঘটনার পর পরই রাতে মহাখালী এলাকা হতে ওই দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহাখালী কাঁচাবাজারের সামনে নেশাদ্রব্য (ড্যান্ডি) খাওয়া নিয়ে মূল অভিযুক্ত জনির সঙ্গে হাসান (১৮) ও সোহাগের (১৭) কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জনিসহ তার সহযোগীরা হাসান ও সোহাগকে ইট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এরপর জনৈক সোহেল মহাখালী সাত তলা বস্তিতে আহত হাসানের ভাই রবিনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রবিন তার বন্ধু এবং ওই ঘটনার ভিকটিম আরিফসহ আরও প্রায় ছয় থেকে সাত জন মিলে মহাখালী কাঁচাবাজারের সামনে গিয়ে জনি ও তার সহযোগীদের মারধর শুরু করে। এই সময় জনি ছুরি দিয়ে ভিকটিম আরিফের বুকে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
মুমূর্ষু অবস্থায় আরিফকে (১৬) প্রথমে মেট্রোপলিটন হাসপাতাল নিয়ে গেলে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই আরিফের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় নিহত আরিফের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।









