একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এ এফ এম ফয়জুল্লাহ নামে এক পলাতক আসামি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, ‘আজ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত ছিল। এই দিন সকালে ট্রাইব্যুনালের গেটের বাইরে নিরাপত্তা কর্মীদের কক্ষে বসে থাকা এক ব্যক্তি নিজেকে মানবতাবিরোধী মামলার পলাতক আসামি বলে আত্মসমর্পণ করতে আসেন। ওই ব্যক্তি নিজেকে ময়মনসিংহের এএফএম ফয়জুল্লাহ বলে দাবি করেন এবং আজই (বৃহস্পতিবার) আত্মসমর্পণ করতে চান। তবে এ সময় তার পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিল না। পরে তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।’
এদিকে বৃহস্পতিবার একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের তিন আসামিকে আমৃত্যু এবং পাঁচ আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে মামলার রায়ে একজনকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।
রায়ে মো. সামসুজ্জামান ওরফে আবুল কালাম, এএফএম ফয়জুল্লাহ (পলাতক), আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডলকে (পলাতক) আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়— মো. খলিলুর রহমান, মো. আব্দুল্লাহ, মো. রইছ উদ্দিন আজাদী ওরফে আক্কেল আলী,আলিম উদ্দিন খান (পলাতক) এবং সিরাজুল ইসলাম তোতাকে। এছাড়া অভিযোগ থেকে খালাস পাওয়া একমাত্র আসামি হলেন আবদুল লতিফ।
এই রায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া এএফএম ফয়জুল্লাহকে পলাতক দেখানো হয়। তার নামের সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে আসা আসামির নামের মিল রয়েছে। তবে তিনিই সেই ব্যক্তি কিনা, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করেনি প্রসিকিউশন।









