নারী নির্যাতন ও যৌতুকের অভিযোগে চতুর্থ স্ত্রী শিরিন আক্তারের দায়ের করা মামলায় আপস নামার শর্তে জামিন পেয়েছেন ইসলামী বক্তা হাসানুর রহমান নক্সেবন্দী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ৩ আদালতের বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) এই আদেশ দেন।
বাদীর সঙ্গে আপোষের শর্তে ৩০ দিনের জন্য জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। হাসানুর রহমান নক্সেবন্দী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরু।
শিরিনা আক্তার ও হাসানুর রহমান নক্সেবন্দীর চার মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, যুক্তিতর্কের এক পর্যায়ে হাসানুর রহমান নক্সেবন্দীর আইনজীবী তার বিচারকাজ পরিচালনা করতে অসম্মতি জানায়। পরবর্তীতে আদালত হাসানুর রহমান নক্সেবন্দীর কোনও বক্তব্য আছে কিনা জানতে চাইলে, তিনি মাস্ক খুলে ও হাতকড়া খুলে কথা বলতে চান। কিন্তু আদালত এ বিষয়টি আমলে না নিয়ে হাতকড়া ও মাস্ক পরা অবস্থায় তার বক্তব্য জানানোর জন্য বলেন। এ সময় হাসানুর রহমান বলেন, তিনি শিরিনা আক্তারকে আগেই ডিভোর্স দিয়েছেন। তার সঙ্গে সংসার করতে চান না। তবে গর্ভাবস্থায় কোনও তালাক কার্যকর হয় না জানিয়ে বিচারক বলেন, বাদী শিরিনা আক্তারকে আপনি চেনেন কিনা। জবাবে নক্সেবন্দী জানান, তিনি চেনেন তবে সাবেক স্ত্রী হিসাবে।
বিচারক একপর্যায়ে বলেন, যদি বাদী শিরিনা আক্তারের সঙ্গে আপস করেন তাহলেই জামিন দেওয়া যেতে পারে। শর্তে রাজি হন তিনি। বারের সভাপতি, সেক্রেটারি, বাদীপক্ষের আইনজীবী এবং হাসানুর রহমানের আইনজীবীদের নিয়ে আইনজীবী ভবনের সভাপতির কার্যালয়ে বসে আপস করে, এই আপসনামা আগামী ধার্য তারিখে যদি জমা দেন, তাহলে ৩০ দিনের জন্য জামিন মঞ্জুর করা হবে।
চতুর্থ স্ত্রী শিরিন আক্তারের দায়ের করা মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কমলাপুর থেকে গ্রেফতার হন হাসানুর রহমান নক্সেবন্দী। পরবর্তীতে তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।









