জয়পুরহাটে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে মধ্যরাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে কোমর থেকে পা পর্যন্ত আগুনে ঝলসে দেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম। তিনি বলেন, এ ঘটনা আদিম যুগের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, জয়পুরহাটে রিকশাচালক তোতামিয়াকে গরু চোর সন্দেহে শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে মধ্যরাতে ইউপি সদস্যসহ একই গ্রামের জুয়েল, আবু খয়ের ও নিজাম গরু চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করেন। এসময় তোতামিয়া অভিযোগ অস্বীকার করলে নির্জন মাঠের মধ্যে গাছের সঙ্গে বেঁধে হাতের তালুতে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছেঁকা দিয়ে নির্যাতন করা হয়।
পরে তার কোমর থেকে পা পর্যন্ত পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে দগ্ধ হয়ে তোতামিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তারা তোতামিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় জেলা আধুনিক হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম মনে করেন, এ ঘটনা আদিম যুগের বর্বরতাকেও হার মানায়। এমন জঘন্য ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের জন্য জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।









