করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে চলমান লকডাউনে সারা দেশের অধস্তন আদালতে একদিনে (২৪ মে) ২৯২১টি আবেদনের ভার্চুয়াল শুনানি ও নিষ্পত্তি করে ১৩৯৯ জন আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সর্বমোট ২৮ কার্যদিবসে ৮৮ হাজার ৯৭৩টি মামলায় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ৪৭ হাজার ২০১ জন হাজতি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।
বুধবার (২৬ মে) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে দ্বিতীয় দফায় গত ১১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন এবং অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তের ওপর শুনানি চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মে দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল শুনানিতে ২৯২১টি জামিনের দরখাস্ত নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং ১৩৯৯ জন হাজতি অভিযুক্ত আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
সবমিলিয়ে সর্বমোট ২৮ কার্যদিবসে ৮৮ হাজার ৯৭৩টি মামলায় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ৪৭ হাজার ২০১ জন হাজতি কারামুক্ত হয়েছেন। জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৬৪০টি।
ভার্চুয়াল আদালত শুরু হওয়ার পর প্রথম দফায় ২০২০ সালের ১১ মে থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৮ কার্যদিবসে সারা দেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল শুনানিতে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ফৌজদারি মামলায় জামিনের দরখাস্ত নিষ্পত্তি হয় এবং ৭২ হাজার ২২৯ জন অভিযুক্ত ব্যক্তির (শিশু সহ) জামিন মঞ্জুর করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘করোনার বিস্তার রোধকল্পে ১২ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’
এছাড়া সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্বপালন করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।








