রাজধানীর ছেড়ে যারা বের হচ্ছেন তাদের অনেকেই রাজধানীতে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। অনেকেই ঢাকার আশেপাশে গার্মেন্টসের কাজে ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন, আবার ঢাকায় ঢুকছেন। জরুরি সেবার আওতায় যারা রয়েছেন তাদের গাড়িগুলো জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আর গার্মেন্টস খোলা থাকায় সে সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলোর চাপ রয়েছে রাস্তায়।
রবিবার (৪ জুলাই) বিকালে গাবতলী পুলিশ চেক পোস্টে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা রাজধানী থেকে বের হওয়া প্রতিটি গাড়িকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। যৌক্তিক কারণ যারা দেখাতে পারছেন তাদেরকে যেতে দেওয়া হচ্ছে। যেসব গাড়ি রাজধানী থেকে বের হয়ে যাচ্ছে তারমধ্যে প্রাইভেট কার সংখ্যায় বেশি। এছাড়াও মোটরসাইকেলেও চলাফেরা করছেন অনেকে।
জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারছে, কেউ এসেছিলেন রাজধানীতে চিকিৎসা নিতে, কেউ গার্মেন্টস সংশ্লিষ্ট কাজে এসেছিলেন, আর জরুরি প্রয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা তারা কাজের প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছিলেন।
তবে রোগী আনা-নেওয়ার জন্য বাহন অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। ভাড়ায় প্রাইভেটকার চলাচল নিষিদ্ধ থাকায়, রাস্তায় কোনও ধরনের ঝুঁকি ঝামেলা পোহাতে চান না অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বজনরা। অনেকেই অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে নিজেদের গন্তব্যে যাচ্ছেন।
দায়িত্বরত গাবতলী পুলিশ চেকপোস্টের ট্রাফিক সার্জেন্ট আসাদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাজধানী ছেড়ে যেসব গাড়ি বাইরে বের হচ্ছে সেসব গাড়ির মধ্যে প্রাইভেট কারের সংখ্যাই বেশি। রাজধানী থেকে বের হতে যাওয়া প্রতিটি গাড়ি আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। যুক্তিযুক্ত কারণ মনে হলে আমরা তাদের যেতে চেয়েছি অন্যথায় ফিরিয়ে দিচ্ছি। যারা অযৌক্তিক কারণে বের হচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।









