রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে ‘হিরো অনিক গ্রুপে’র ৫ সদস্যকে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন‑ অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিক (২৫), মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে এ্যাম্পুল (৩৪), আবির আহমেদ রাকিব (২২), মো. সোহাগ হোসেন আরিফ (৩৬), হিরা (২২)।
রবিবার (৪ জুলাই) দিনগত রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগাজিন, ৫টি ধারালো অস্ত্র, ১টি চেইন, ৩০০ পিস ইয়াবা, ৭টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩ হাজার ৪০০ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার অনিক নারী পাচারকারী চক্রের টিকটক হৃদয় বাবুর অন্যতম সহযোগী বলে র্যাব জানিয়েছে।
সোমবার (৫ জুলাই) বিকালে কাওরান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিক মগবাজার, হাতিরঝিল ও আশপাশের এলাকায় একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা। বর্তমানে তার নামে হত্যা, মাদক ও অস্ত্র, ডাকাতিসহ ৯টি মামলা রয়েছে। অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিক মাদক ডেলিভারির কাজ করতো। তার গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ২০-২৫ জন। সে ২০১৬ সালের আলোচিত “আরিফ হত্যা" মামলার মাধ্যমে পরিচিতি পায়। তার এই সংঘবদ্ধ দল মগবাজার, মধুবাগ, মীরবাগ, নতুন রাস্তা পেয়ারাবাগ, চেয়ারম্যান গলি, আমবাগান ও হাতিরঝিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক সিন্ডিকেট ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আসছিল। বিভিন্ন সময়ে সে ও তার দল হাতিরঝিলে আসা দর্শনার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো। হাতিরঝিল এলাকা দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় টিকটিক গ্রুপের কার্যকলাপগুলোও সে নিয়ন্ত্রণ করতো। টিকটক হৃদয়ের অন্যতম সহযোগী ছিল সে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে এ্যাম্পুলের নামে মাদক এবং চুরির ৬টি মামলা রয়েছে। আবির আহমেদ রাকিবের নামে ২টি মামলা রয়েছে, মো. সোহাগ হোসেন আরিফের নামে নারী ও শিশু অপহরণ, মাদক এবং ডাকাতির ৩টি মামলা রয়েছে এবং হিরার নামে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত এবং চুরির ১টি মামলা রয়েছে।









