‘ডম-ইনো’র নির্মাণাধীন ভবনসহ ৫টি ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় পৌনে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ এবং তানজিলা কবির ত্রপার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে নগরীর কদমতলা, বাসাবো স্কুল, হিরাঝিল গলি, ওয়াসা রোড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আদালত ৩০টি বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনটি ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় প্রতিটি ভবন মালিককে এক লাখ টাকা করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও জরিমানা করা একটি ভবনের ভেতরে প্রচুর পানি ও ময়লা-আবর্জনা থাকায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপার নেতৃত্বে নয়া পল্টন ও শান্তিনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আদালত ভবন নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডম-ইনো’র নির্মাণাধীন একটি ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় একটি মামলা ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। পাশের আরেকটি ভবনেও এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জরিমানা করা তিনটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন জলাধারের ওপর গড়ে তোলা হয়েছে। অভিযানকালে সেই বাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়ায় এক লাখ টাকা এবং ওই জলাধারে প্রচুর পানি ও ময়লা-আবর্জনা থাকায় আরও ২৫ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৪ মামলায় ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছি।’
অভিযান প্রসঙ্গে দক্ষিণ সিটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা বলেন, ‘আজকের অভিযানে শান্তিনগর এলাকার ২০ নম্বর হোল্ডিংয়ের নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় এক লাখ টাকা এবং পাশের আরেকটি ভবনকে মামলা ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ‘ডম-ইনো’র নির্মাণাধীন সেই ভবনে এ বছরের এপ্রিল মাসেও আমি অভিযান পরিচালনা করে লার্ভা পাওয়ায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছিলাম। সেই একই ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ ২০১৯ সালেও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভবন ব্যবস্থাপনায় এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবেই রয়ে গেছে।’
সবমিলিয়ে আজ ৬ মামলায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।









