প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ফাঁস করায় রাজধানীতে উর্মি আক্তার নামে এক কিশোরী আত্মহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি শামীমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শনিবার (১০ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসির আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি শামীমকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। এর পর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সোমবার (৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর সবুজবাগ থাকায় আত্মহত্যার প্ররোচনা ও ডিজিটাল আইনে ঊর্মির বাবা বাদী হয়ে শামীম ও ফাহিমকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, ঊর্মি উত্তর বাসাবোতে তার মামার বাসায় থেকে পড়াশোনা করতো। একই এলাকার ফাহিম নামে একটি ছেলে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অশ্লীল চিত্র ধারণ করে। ফাহিম ও শামীম নামে আরেকটি ছেলে ওই ভিডিও দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলো। বেশ কয়েকবার তার কাছ থেকে টাকাও নিয়েছে। এরপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় ঊর্মির মা তাকে বকাবকি করে। পরে রবিবার রাতে সে গলায় ফাঁস দেয়। তারপর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুই বোনের মধ্যে উর্মি বড় ছিল।









