নির্দয়ভাবে প্রায় ১৪ ঘণ্টা বাসের লকারে আটকিয়ে ৪৬টি ছাগল পরিবহন করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছাগলের মালিকসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘১৪ ঘণ্টা বাসের লকারে বন্দি ৪৬ ছাগল’ শিরোনামে একটি সংবাদ ১৬ জুলাই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এই সংবাদে উল্লেখ করা হয়, দিনাজপুর থেকে নওশীন পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের মালপত্র রাখার লকারে গাদাগাদি করে আটকে সিলেটে নেওয়া হয়েছে ৪৬টি ছাগল। বর্বরোচিত উপায়ে লকারের মধ্যে দীর্ঘ সময় ঠাসাঠাসি করে আটকে রেখে পরিবহন করায় অসুস্থ হয়ে পড়ে ছাগলগুলো।
বিষয়টি দৃষ্টিতে আসার পরপরই দিনাজপুর জেলার সদর থানার ওসিকে পাঠিয়ে এ বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয় পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং থেকে। প্রাথমিক তদন্তে দিনাজপুর সদর থানার ওসি নিশ্চিত করেন বাসটি তার এলাকা থেকে ছেড়ে গেলেও বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানা এলাকায় যাত্রা বিরতির সময় ওই বাসে ছাগলগুলো তোলা হয়। এর পরপরই বিষয়টি ওসি শিবগঞ্জ মো. সিরাজুল ইসলামকে পাঠিয়ে অপরাধীদেরকে দ্রুত খুঁজে বের করে আইনে আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
শিবগঞ্জের ওসি তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। ছাগলের মালিক মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে গাইবান্ধার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আটক করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে মো. জিন্নাহ নামে আরও একজনকেও এই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। ছাগল পরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যদেরকেও আইনের আওতায় আনতে তৎপরতা চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









