গত বৃহস্পতিবার এর পর থেকে আর থানায় আসেনি ই-অরেঞ্জ কর্মকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত বনানী থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সোহেল রানা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আমরা শুনেছি নেপাল-ভারত সীমান্তে সোহেল রানাকে আটক করা হয়েছে। আমরা এখনও অফিশিয়ালি এ বিষয়ে কোনও তথ্য পাইনি।
তিনি আরও বলেন, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি খোলা। রিং হচ্ছে কিন্তু কেউ ধরছে না। বৃহস্পতিবার তিনি বনানী থানায় ডিউটি করেছেন। শুক্রবার থেকে তিনি আর থানায় আসেনি। ছুটিও নেননি। তিনি কিভাবে এর মধ্যে ভারত গেলেন, যিনি গ্রেফতার হয়েছেন তিনি সোহেল রানা কিনা—এ বিষয়টি নিশ্চিতে পুলিশ সদর দফতরের সহায়তায় কাজ চলছে। পরবর্তীতে এ বিষয়টি জানানো সম্ভব হবে।
ভারত ও নেপাল সীমান্ত পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানা আটক হয়েছেন এমন তথ্য আমরা গণমাধ্যমে পেয়েছি উল্লেখ করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির পরিচালক অপারেশন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হলে বিএসএফ আমাদের সঙ্গে তথ্য আদান প্রদান করতো। যেহেতু আমাদের সীমান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না তাই আমরা এখন পর্যন্ত কোনও অফিশিয়াল তথ্য পাইনি। তারপরও বিষয়টি দেখা হচ্ছে। তবে বিষয়টি পুলিশ সদর দফতর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে।
প্রসঙ্গত, ভারতের একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, ভারত ও নেপাল সীমান্ত থেকে পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানাকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ।









