গাজীপুর জেলার যেসব ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই সেগুলো বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— সেগুলো জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন আদালত।
জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের শুনানি করে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাওছার হোসেন। তিনি জানান, মেহেদী হাসান নামে গাজীপুরের এক বাসিন্দা তার স্ত্রীকে গাজীপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান। কিন্তু ওই হাসপাতালের হাইজেনিক পরিবেশ ছিল না। এই পরিবেশ না থাকলে হাসপাতালের রোগীরা মেডিক্যাল বর্জ্য-ময়লা আবর্জনার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন। এরপর এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
এর আগে গত ৪ এপ্রিল গাজীপুর জেলার পরিবেশ অধিদফতরের রিসার্চ ও তথ্য প্রদান কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই বলে জানা গেছে। সেখানে পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে মাত্র ২৪টি প্রতিষ্ঠান। পরে ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে গত ৭ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের বাসিন্দা মেহেদী হাসান জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।







