শুধু অভিযান নয়, কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক সচেতনতা জরুরি। কিশোরদের গ্যাং কালচারে জড়িয়ে পড়ার দায় সমাজের সবার। শনিবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে "সবাই হোক একটা জীবন, কিশোর অপরাধ করবো দমন" শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা র্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মোজাম্মেল হক বলেন, কিশোরদের গ্যাং কালচারে জড়িয়ে পড়ার দায় সমাজের সবার। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে ধাবিত করতে কিশোর-কিশোরীদের মাঝে সচেতনতা জাগিয়ে তুলতে হবে। সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন আমাদের জন্য একটি অ্যাসেট। এই অ্যাসেট ধরে রাখতে পারলে সন্তানদের বিচ্যুতি ঠেকানো সম্ভব। পশ্চিমা দেশগুলো থেকে উদ্ভূত এই গ্যাং কালচারের অস্তিত্ব বাংলাদেশে থাকবে না বলে মনে করেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, বাবা-মা সন্তানকে সময় না দেওয়ায় বাচ্চাদের মনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতন করা বৈধ নয় উল্লেখ করে কাউন্সেলিংয়ে জোর দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, উঠতি বয়সী কিছু কিশোর মিলে পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন নামে গ্যাং গ্রুপ গড়ে তুলছে। আধিপত্য বিস্তার, সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব, মাদক, অবৈধ অর্থলাভ, টেন্ডারবাজি এবং প্রেম ইত্যাদি বিষয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধ করতে অভিভাবকের সচেতনতার বিকল্প নেই বলেও মনে করেন বক্তারা।









