অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় এসকে সিনহার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৭ জানুয়ারি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১৫:২৫আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২১, ১৫:২৫

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এসকে সিনহা) বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়া ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ২৭ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

দুদকের আদালত নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা মো. জুলফিকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার খান বাদী হয়ে এই মামলা করেন।

দুদক সূত্র জানায়, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার নিজ নামে রাজউক উত্তরা আবাসিক এলাকায় একটি প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন। পরে তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার ভাই নরেন্দ্র কুমার সিনহার নামে রাজউক পূর্বাচল প্রকল্পে প্লটের জন্য আবেদন করিয়ে তিন কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিন কাঠার প্লটটিকে তিনি পাঁচ কাঠায় উন্নীত করিয়েছিলেন। সেটি আবার পূর্বাচল থেকে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর সড়কের ১/এ প্লটে স্থানান্তর করে রাজউক থেকে অনুমোদন করিয়ে নেন। তিনি নিজেই এই প্লটের জন্য ৭৫ লাখ টাকা পরিশোধ করেন।

দুদক সূত্র আরও জানায়, দুদকের অনুসন্ধানে একজন প্রকৌশলীকে দিয়ে নিরীক্ষা করিয়ে দেখা যায়, ৯ তলা ওই ভবন নির্মাণে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। প্লটের মূল্য হিসেবে রাজউকে জমা দেওয়া ৭৫ লাখ টাকাসহ মোট ব্যয় হয়েছে ৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। এই নির্মাণ ব্যয়ের মধ্যে তিনি জনৈক খালেদা চৌধুরীর কাছ থেকে ফ্যাট বিক্রি বাবদ অগ্রিম ৭০ লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া জনৈক শঙ্খজিত সিংহের নামে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ৭৮ লাখ টাকা স্থায়ী ও নগদে জমা ছিল। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোট ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা নিজের ভাই ও আত্মীয়দের নামে অবৈধভাবে অর্জন করেছিলেন। এই আয়ের বৈধ কোনও উৎস নেই এবং তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

দুদক আরও জানায়, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা অবৈধ পন্থায় অর্জিত অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তির হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- ২০১২ এর ৪(২) (৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

 

/এমএইচজে/আইএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম