নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানকে চাপা দেওয়া গাড়ির চালক রাসেল খান আইনশৃঙ্খলা অস্থিতিশীল করার উদ্দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার এজেন্ট কিনা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে মনে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির ফরওয়ার্ডিং কাগজে কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে বলা হয়, বর্ণিত দুর্ঘটনা ঘটনাটি নিছক কোনও সড়ক দুর্ঘটনা কিনা অথবা এর পেছনে কোনও কুচক্রী মহলের দুরভিসন্ধি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
পল্টন থানায় দায়ের করা মামলার বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আনিছুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ডের আবেদনে লেখা হয়, অর্ধেক ভাড়া দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে নটর ডেম কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় ২০১৮ সালের ন্যায় সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারকে অস্থিতিশীল করা ও দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার এজেন্ট হিসেবে চালক রাসেল খান জড়িত কিনা তা জানা একান্ত প্রয়োজন। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আসামির ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
এছাড়া বলা হয়, বাদী সংবাদ পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে তার ছেলেকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পরবর্তীতে থানায় এসে আসামির নিকট জানতে পারেন জব্দকৃত গাড়িটি ধৃত আসামি চালাচ্ছিল। রাসেল আরও জানায়, সে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিয়োগপ্রাপ্ত ড্রাইভার নয়। এই গাড়িটির নিয়োগপ্রাপ্ত ড্রাইভার হারুন আসামি রাসেল খানকে বদলি হিসেবে চালাতে দেয়। সে ড্রাইভিং লাইসেন্সও দেখাতে পারেনি।
বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর গুলিস্তান গোলচত্বরে হল মার্কেটের সামনে বেলা ১১টায় ডিএসসিসি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের মৃত্যু হয়। তিনি কলেজের মানবিক শাখার ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।









