হরিজন সম্প্রদায়ের ছেলে ও ব্রাহ্মণ মেয়ের বিয়ের পর শাশুড়ির দায়ের করা অপহরণ মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ থেকে তুষার দাসকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের শুনানি নিয়ে রবিবার (১২ ডিসেম্বর) বিচারপতি জাহাঙ্গির হোসেন ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে তুষার দাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
এর আগে তুষারের বিরুদ্ধে সুস্মিতার মায়ের করা অপহরণ মামলায় তুষারকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন শরিয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। তবে আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে ওই দায় থেকে খালাস দেওয়া হয়। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জেল থেকে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। স্বামীকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড থেকে মুক্ত করতে উচ্চ আদালতে আসেন স্ত্রী সুস্মিতা দেবনাথ।
সুস্মিতা দেবনাথ বলেন, ‘আমার একটাই অপরাধ, আমি ব্রাহ্মণ বর্ণের মেয়ে হয়ে হরিজন বর্ণের ছেলেকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। আইনের মারপ্যাঁচে আমাদের জীবন আজ বিপন্ন। আমাদের একটি শিশুসন্তানও রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে আমরা খুশি।‘









