প্রায় তিনশ’ দরিদ্র মানুষের অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে চট্টগ্রামের একটি আদালতে। মামলা আমলে নিয়ে আদালত সমন জারি করেছেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলমের আদালতে কোহিনূর বেগম নামে এক দরিদ্র নারী মামলাটি দায়ের করেন। বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির প্রধান অ্যাডভোকেট সালমা আলী ছাড়া অভিযুক্ত বাকি চারজন হলেন- জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পরিচালক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদা ইদ্রিস, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান ফরহাদি ও তার বন্ধু রেজাউল করিম রেজা এবং মাহমুদা চৌধুরী। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪১৮, ৪১৯, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএইচএম হাবিবুর রহমান আজাদ বলেন, সালমা আলীসহ অভিযুক্তরা পরস্পরের যোগসাজশে রেশন দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের কাছ থেকে কিস্তিতে ৫১ লাখ ৬০ হাজার টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেন। ২০১৫ সালের ১ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময়ে নগরীর চকবাজার থানার কাপাসগোলা এলাকায় দরিদ্র নারী-পুরুষদের কাছ থেকে কিস্তিতে টাকাগুলো গ্রহণ করেন। জাতীয় মহিলা আইনজীবী সংস্থার প্যাড ব্যবহার করে রেশন দেওয়া এবং বিভিন্ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির কথা বলে এসব টাকা নেওয়া হয়। পরে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট সালমা আলীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি এ ধরনের একটা বিষয় শুনেছিলাম। কেউ আমাদের নাম ভাঙিয়ে এরকম করে থাকতে পারে। পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই।’ মামলা হয়েছে শোনার পর তিনি বলেন, ‘ভেরি ইন্টারেস্টিং। আমি মামলার খবর এখনও জানি না।’
/ইউআই / এএইচ /








