আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহীদ ও এক কোটি লোককে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। এটি মীমাংসিত একটি বিষয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এটি নিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চলছে। এর সুযোগ নেই।’
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নেত্রকোনার আতাউর রহমান ননী ও মো. ওবায়দুল হক তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। আজ মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা ১৮ মিনিটে তাহের ও ননীর মামলার রায় দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার-উল হক এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। রায় দেওয়ার সময় পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল এই কথা বলেন। প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল এই তথ্য সাংবাদিকদের জানান।
তাহের ও ননীর মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে প্রসিকিউশন। আর রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশের পর আপিল আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
ছয়টি অভিযোগের মধ্যে ৩ ও ৫ নম্বর অভিযোগে তাদের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। ১ ও ২ নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি দুটি অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি রাষ্ট্রপক্ষ।
রায়ের পর প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল সন্তুষ্টি প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, ’৭১ এ যে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড আসামিরা ঘটিয়েছিলেন এর একমাত্র শাস্তি মৃত্যদণ্ড। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুস সোবহান তরফদার জানান, তারা আপিল আবেদন করবেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীদের পক্ষে আইনজীবী এমএইচ তামিম বলেন, ‘প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্যপ্রমাণ হাজির করেছিল তাতে আসামিদের কোনওভাবেই মৃত্যুদণ্ডের সাজা হয় না। আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পেয়ে আসামিদের সঙ্গে পরামর্শ করে আপিল করবো।’
/এফএস/








