পুরান ঢাকার সদরঘাটে ইস্ট বেঙ্গল সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে মিতুল নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি কোতোয়ালি থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য বলে জানা গেছে।
শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সূত্রাপুর থানাধীন ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মিতুলের মরদেহ বর্তমানে মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তার পিতার নাম মো. রাসেল সরদার। বাড়ি ঝালকাঠি জেলার ঝালকাঠি থানার সাহাবাঙ্গল গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সাবেক যুবদল নেতা সোবহান ও সাবেক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কিরণ দুজনই সুমন ভূঁইয়ার অনুসারী। তারা দুজনই কোতোয়ালি থানা যুবদলের পদপ্রত্যাশী। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে কিরণ গ্রুপের একজন সদস্য নিহত হয়েছেন। পরে তার মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।
আরও জানা যায়, ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন। নিহত ব্যক্তিকে কাপড় কাটা কাচি দিয়ে বুকে মারা হয়।
এদিকে নিহতের স্বজনসহ প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি মিটফোর্ড হাসপাতালে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সুমন ভূঁইয়া বলেন, এরা আমার সমর্থক নয়। তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে থাকে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বিস্তারিত জানতে পারিনি।
সূত্রাপুর থানার অপারেশন ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৩ তলায় শ্রমিক যারা থাকে তাদের মধ্যে পূর্ব থেকে কোনো বিরোধ ছিল বলে আমরা প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছি। পূর্ব শত্রুতার রেশ ধরেই একটা ছেলেকে কাপড় কাটার কাচি দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।









