রাজধানীর আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় একটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও জোর করে প্রবেশের চেষ্টার ঘটনায় করা মামলায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলায় মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে নবোদয় বাজার খেলার মাঠ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে গ্রেফতার চারজনের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।
আদাবর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, শ্যামলী হাউজিং এলাকায় বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান এখনও চলছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে একই ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ভোরে খুরশিদ আলম খানের নেতৃত্বে হাবিবুল্লাহ ওরফে রাসেল, কালামসহ ১৫ থেকে ২০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শ্যামলী হাউজিং লিমিটেডের ৬ নম্বর রোডের ৪১ ও ৪২ নম্বর প্লটে নির্মিত একটি বাড়িতে হামলা চালান। তারা বাড়িতে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং প্রধান ফটক চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে দরজা-জানালা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
বাড়ির মালিক ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান এ ঘটনায় আদাবর থানায় মামলা করেন। মামলায় খুরশিদ আলম খান, হাবিবুল্লাহ ওরফে রাসেল, কালাম, কামরান হোসেন, মিজানুর রহমান, সজীব হোসেন, হাসিবুল হাসান ওরফে ইমন, তানভীরসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাকিদের অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
আমিনুর রহমানের ভাতিজা মনির হোসেনের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও একবার বাড়িটি দখল করা হয়েছিল।