আগুন লাগলে বের হওয়ার নিরাপদ পথ নেই, কোথাও কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণ ও জরুরি আলোর ব্যবস্থাও অনুপস্থিত। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সর্বশেষ অগ্নিনিরাপত্তা জরিপে পরিদর্শন করা ভবনের ৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশেই এমন ঘাটতি পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালে পরিদর্শন করা ১০ হাজার ৫৩৩টি ভবনের মধ্যে ৩ হাজার ৯৩৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বা অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। এক বছরের ব্যবধানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের হার বেড়েছে। অন্যদিকে, পুরান ঢাকায় রাসায়নিকের গুদাম, প্লাস্টিক ও দাহ্য পদার্থের মজুত এবং সরু গলির কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সর্বশেষ গত ১২ অক্টোবর পুরান ঢাকার চকবাজারে মনজুর খান প্লাজা মার্কেটের একটি দোকানে আগুন লাগে। প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়লে ইউনিটের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০টিতে। টানা প্রায় ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সরু গলির কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে প্রবেশে বাধার মুখে পড়ে। পাশাপাশি দোকানে মজুত প্লাস্টিক ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ এবং পানির সংকট আগুন নিয়ন্ত্রণে বিলম্ব ঘটায়।
এই ঘটনা পুরান ঢাকার অগ্নিঝুঁকি এবং তা মোকাবিলায় দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা আবারও সামনে এনেছে। ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকের গুদাম সরানো, ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পানির উৎস বাড়ানো এবং সরু গলির সমস্যা সমাধানের মতো বিষয় থাকলেও সেগুলোর দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবায়ন আটকে আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সারা দেশে পরিদর্শন করা ১০ হাজার ৫৩৩টি ভবনের মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৫টি বা ৬২ দশমিক ৬২ শতাংশের অগ্নিনিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। বিপরীতে ৩ হাজার ৩১৬টি বা ৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬২২টি বা ৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভবনকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২০২৪ সালে পরিদর্শন করা ভবনের ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ অগ্নিঝুঁকিতে ছিল। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ। প্রতিবছর ভবন পরিদর্শন, নোটিশ, সতর্কতা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের হার না কমায় কার্যকর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আবাসিক ভবন, পোশাক কারখানা, হাসপাতাল-ক্লিনিক, শপিং মল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট, কেমিক্যাল গুদাম ও ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এসব ভবনে আগুন লাগলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া, মানুষ আটকে যাওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। বিশেষ করে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ৬২২টি ভবন বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।
পুরোনো ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন ভবন
ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বড় অংশ বহু বছর আগে নির্মিত। ভবনের কাঠামো ও ব্যবহারের ধরন বিবেচনায় অনেক ক্ষেত্রে বর্তমান অগ্নিনিরাপত্তা মানদণ্ড পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে এসব ভবন বছরের পর বছর ঝুঁকির তালিকায় থেকে যাচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন নির্মিত কিছু ভবনও প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ব্যবহারে আসায় ঝুঁকি বাড়ছে।
পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন ভবন ও হাসপাতালের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পরিদর্শন করা ৬৫২টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮৫টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২৫টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ৪৭৩টি আবাসিক ভবনের মধ্যে ১৯০টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ২২টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ১ হাজার ৫৩৩টি পোশাকশিল্প কারখানার মধ্যে ৫৯২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৮৮টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ পাওয়া গেছে। ৭২০টি অন্যান্য কলকারখানার মধ্যে ২৫১টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩৫টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ।
স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। ১ হাজার ৫৩টি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মধ্যে ৪৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৭৬টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ৪৮০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ১৩৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৯টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এ ছাড়া ১ হাজার ৭১টি রেস্টুরেন্টের মধ্যে ৩৭২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৪৫টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ১ হাজার ১৭১টি শপিং মল ও মার্কেটের মধ্যে ৩৪৫টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১০৩টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ৭৮৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২২৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ২৫টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ১০১টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং সাতটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ‘অন্যান্য’ শ্রেণির ২ হাজার ৪০৪টি ভবনের মধ্যে ৫২৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩৯টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ পাওয়া গেছে।
কেমিক্যাল গুদামের ৮৮ শতাংশই ঝুঁকিতে
সবচেয়ে বেশি অগ্নিঝুঁকির চিত্র পাওয়া গেছে কেমিক্যাল গুদামে। ২০২৫ সালে পরিদর্শন করা ৯১টি কেমিক্যাল গুদামের মধ্যে ৪২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৮টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। অর্থাৎ, ৮০টি গুদামই কোনো না কোনো মাত্রায় অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। হার হিসেবে তা প্রায় ৮৮ শতাংশ।
পুরান ঢাকায় এই ঝুঁকি আরও প্রকট। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সেখানে প্রায় ২৫ হাজার রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থের গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র আড়াই হাজার গুদামকে ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব গুদামের প্রায় ১৫ হাজারের অবস্থান আবাসিক বাসাবাড়িতে।
পুরান ঢাকার আরমানিটোলা, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রাসায়নিক ও প্লাস্টিকের কাঁচামালে ঠাসা দোকান এবং গুদাম রয়েছে। কোথাও প্লাস্টিকের ড্রাম ও বস্তাভর্তি দাহ্য রাসায়নিক রাখা হয়েছে। এসব স্থাপনার ওপরের তলাতেই রয়েছে আবাসিক বাসাবাড়ি। দোকান ও গুদামের ওপর দিয়ে ঝুলে থাকা এলোমেলো বৈদ্যুতিক তারও ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
গুদামগুলোতে গ্লিসারিন, সোডিয়াম অ্যানহাইড্রোস, সোডিয়াম থায়োসালফেট, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, মিথাইল ইথাইল কিটোন, থিনার ও আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের মতো রাসায়নিক মজুত রাখা হয়। এসব দাহ্য পদার্থের উপস্থিতিতে আগুন দ্রুত বড় আকার ধারণ করতে পারে।
পুরান ঢাকার অগ্নিঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। ২০১০ সালের নিমতলী অগ্নিকাণ্ডে ১২৪ জন এবং ২০১৯ সালের চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে ৭১ জন নিহত হন। এসব ঘটনার পর পুরান ঢাকা থেকে বিপজ্জনক রাসায়নিকের ব্যবসা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রাসায়নিক গুদাম সরানোর উদ্যোগ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পর তদন্ত কমিটির সুপারিশের অন্যতম বিষয় ছিল আবাসিক এলাকায় রাসায়নিকের দোকান ও গুদাম নিষিদ্ধ করা। কিছু স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অধিকাংশই থমকে আছে।
ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, চকবাজারের আগুনের ভয়াবহতার মূল কারণ ছিল সেখানে মজুত প্লাস্টিক ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ। ধোঁয়ার কারণে শুরুতে ভেতরে প্রবেশ করা যায়নি। সরু গলির কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেও সমস্যা হয়েছে। এর সঙ্গে ছিল পানির তীব্র সংকট। সব মিলিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে।
তিনি বলেন, পুরান ঢাকাকে নিরাপদ করতে ফায়ার সার্ভিসের বিস্তারিত সুপারিশ ছিল। এসব সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা এবং ঝুঁকিপূর্ণ গুদাম সরানো সম্ভব হতো। সিটি করপোরেশন, রাজউক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা ছাড়া পরিস্থিতির পরিবর্তন কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চকবাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, নিমতলী ট্র্যাজেডির পর সরকার ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট কেমিক্যাল জোন বা জায়গা দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু তারা এখনো তা বুঝে পাননি। তাঁর মতে, নির্দিষ্ট বিসিক এলাকায় রাসায়নিকের ব্যবসা স্থানান্তর করা গেলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যেত।
ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশে আবাসিক ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে রাসায়নিক, প্লাস্টিকের কাঁচামাল এবং দাহ্য পদার্থের গুদাম ও কারখানা নির্ধারিত শিল্পাঞ্চলে স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছে। আবাসিক ভবনে রাসায়নিক মজুতকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ভবন নির্মাণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুসরণ, পর্যাপ্ত জরুরি বহির্গমন পথ রাখা এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম সচল রাখার সুপারিশও রয়েছে।
এ ছাড়া প্রধান সড়কের মোড়ে ও বড় মার্কেটের পাশে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন, পুকুর ও অন্যান্য পানির উৎস সংরক্ষণ, সরু গলির সমস্যা সমাধান এবং বড় গাড়ি প্রবেশ করতে না পারা এলাকায় ছোট অগ্নিনির্বাপণ যান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সফরমার ও গ্যাসের পাইপলাইন নিয়মিত পরীক্ষা-সংস্কার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার কথাও বলা হয়েছে।
নোটিশের পরও সংশোধন হয় না ত্রুটি
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ভবন পরিদর্শনের সময় মালিকপক্ষকে ত্রুটি ও ঝুঁকির কারণ জানিয়ে তা সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শকেরা নোটিশ দেন। অনেক ক্ষেত্রে তাতেও কাজ হয় না। তখন সিটি করপোরেশন কিংবা জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
তিনি জানান, ২০২৫ সালে ১৯২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ কোটি ৯৪ লাখ ৫২ হাজার ২২০ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি আটটি মামলা করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সারা দেশে ২৭ হাজার ৫৯টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৪ দশমিক ৭১ শতাংশের কারণ ছিল বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট।
অগ্নিকাণ্ডের সংখ্যা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের হার; দুই ক্ষেত্রেই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে আসায় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু ভবন পরিদর্শন, নোটিশ ও জরিমানা করে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়। অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি দূর করতে ভবনমালিকদের বাধ্য করার পাশাপাশি পুরান ঢাকার মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাসায়নিক গুদাম স্থানান্তর, পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত এবং ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।