শিশুদের ক্ষেত্রে ‘না’ শব্দটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ মনস্তাত্ত্বিকভাবে এতে শিশুর উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বারবার ‘না’ শুনতে শুনতে শিশুরা আরও জেদি হয়ে যায়। তবে শিশুর সব কর্মকাণ্ডে আবার অনুমতি দেওয়াও সম্ভব হয় না। কী করবেন এক্ষেত্রে? ফ্যামিলি থেরাপিস্ট সান ডিয়েগো বলছেন, শিশুকে কোনও কিছু করতে বিরত থাকতে বলার চাইতে তাকে অন্য কাজ দিয়ে ভুলিয়ে ফেলাটা বেশি সহজ। ‘না’ শব্দটি উচ্চারণ না করে শিশুকে সামলানোর কিছু আয়ডিয়া জেনে নিন।
১। শিশু যদি এমন কোনও কাজ করতে চায়; যেটা এই মুহূর্তে আপনি করতে দিতে চাইছেন না, তবে তাকে সরাসরি ‘না’ না বলে বলুন, আমরা কি এই কাজটি পরে করতে পারি?
২। কেমন হয় এই কাজের বদলে আজকে নতুন কিছু করলে?
৩। আমার একটা কাজে তোমার সাহায্য লাগবে। আমাকে এখন সাহায্য করবে প্লিজ?
৪। কাজটি আমরা ভিন্নভাবে করতে পারি, এটা আরও বেশি চমকপ্রদ হবে।
৫। কাজটি আমরা অবশ্যই করবো, কিন্তু তার আগে ঘরের কাজে তোমাকে সাহায্য করতে হবে।
৬। তোমার নীল গাড়িটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওটা আগে খুঁজে বের করি?
৭। যদি শিশু গাছ অথবা পোষা প্রাণীকে আঘাত করে বলে ‘এমন করো না’ বলার বদলে বলুন ওদেরও প্রাণ আছে। এভাবে আঘাত করলে তারা কষ্ট পায়।
৮। শিশু অন্য শিশুকে আঘাত করলে ধমক না দিয়ে তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। শিশুকে শান্ত হতে সাহায্য করুন। রাগান্বিত অবস্থায় অন্যকে আঘাত করার বদলে কোন কাজটি করতে চায় শিশু, এমন প্রশ্ন করুন।
৯। নির্দিষ্ট কোনও কিছুর জন্য শিশু চিৎকার করলে অথবা জেদ করলে ‘এটা দেব না’ বলবেন না। বরং বলুন এভাবে চিৎকার করলে আমি তোমার কোনও কথা বুঝতে পারছি না। আগে শান্ত হও, তারপর আমাকে বুঝিয়ে বলো কী চাইছো।
১০। শিশু খাবার বা জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেললে ‘এমন করবে না’ বলার বদলে পরিস্থিতি শান্ত হলে তাকে নিয়েই সব গুছিয়ে রাখুন। সাহায্য করার সময় বিষয়টি কেন উচিত না সেটা বুঝিয়ে বলুন এবং কাজ শেষে তাকে পুরস্কৃত করুন।
তথ্য: প্যারেন্টস ডটকম









