টবের ভেতর ছোট্ট বাগান

জীবনযাপন ডেস্ক
১৯ মে ২০২৩, ১৭:৫৮আপডেট : ১৯ মে ২০২৩, ১৭:৫৮

সরু পথের পাশে ঝুরি নামা বটবৃক্ষ। গাছের ছায়ায় বসে চা খাওয়ার জন্য পাশে রয়েছে চেয়ার টেবিলও। আবার বেড়ার ওপাশে ছোট্ট কুটির। তার ঠিক পাশেই উড়ছে লাল সবুজ পতাকা। জলাশয়ে সাঁতরে বেড়াচ্ছে কাছিম। ভাবছেন ঢাকা শহরে এমন চমৎকার প্রাকৃতিক নিসর্গ আর কোথায় মিলবে? চাইলে এমন একটি বাগান কিন্তু থাকতে পারে আপনার অন্দরেই! কারণ এই ছোট্ট বাগানের জন্ম মাটির টব কিংবা কাচের জার।

টবের ভেতর ছোট্ট বাগান

কৃত্রিম বাগান তৈরি করতে চাই ইচ্ছা আর সৃজনশীলতা। নিজের বানিয়ে ফেলতে পারেন ছোট্ট সবুজ পৃথিবী। এজন্য সবার আগে চিন্তা করুন প্রকৃতিকে আপনি কীভাবে দেখতে চান। গাছের গুঁড়িতে বসে সবুজ কার্পেটে পা রেখে হারিয়ে যেতে চান সুদূরে? নাকি ছোট্ট নীড় ঘেঁষে তরতরিয়ে ওঠা লতানো গাছে খুঁজে ফিরতে চান হারানো শৈশব? ব্যস, আপনার চিন্তাকেই ধারণ করবে ছোট্ট মাটির পাত্র। বাগান তৈরির জন্য বাছাই করুন মাটির চওড়া পাত্র। বনসাইয়ের টবেও বানিয়ে ফেলতে পারেন কৃত্রিম বাগান। এ ধরনের বাগান তৈরিতে ব্যবহৃত হয় প্রচুর পরিমাণে মস। পুরনো বাড়ির আঙ্গিনা, বাড়ির ছাদ কিংবা স্যাঁতস্যাঁতে যেকোনো জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে পারেন মস। বাড়ি তৈরি করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন কাঠ। আঙিনায় বেড়া দিয়ে দিন দেয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে। গাছের গুঁড়ির অংশ ভেঙে ফেলে দিন বাড়ির সামনে। কুটিরের পাশে রোপণ করে দিতে পারেন পাতাবাহার কিংবা যেকোনো ধরনের ইনডোর প্ল্যান্ট। অ্যাকুরিয়ামের পাথর ছড়িয়ে ছিটিতে দিন আশেপাশে। তৈরি হয়ে গেলো আপনার স্বপ্নরাজ্য! জায়গা একটু বড় হলে মাটির পাত্রে পানি দিয়ে ছেড়ে দিতে পারেন কৃত্রিম কাছিম। প্লাস্টিকের ছোট চেয়ার টেবিল বসিয়ে দিতে পারেন বনসাইয়ের নিচে। হয়ে গেলো চমৎকার অবকাশ যাপনের যায়গা!      

টবের ভেতর ছোট্ট বাগান

বনসাই তৈরি করুন নিজেই

যদি থাকে ধৈর্য ও ইচ্ছা, তবে আপনিও তৈরি করে ফেলতে পারেন চমৎকার বনসাই। বনসাই তৈরি করার জন্য প্রথমেই চারা সংগ্রহ করুন। নার্সারি থেকে সংগ্রহ করার চাইতে রাস্তার পাশে কিংবা পুরনো বাড়ির দেয়াল থেকে চারা সংগ্রহ করাটাই ভালো। ১০/১২ ইঞ্চি টবে রোপণ করে দিন চারা। জৈব সার কিংবা পাতা পচা সার দিয়ে তৈরি করুন মাটি। প্রতি মাসে একবার মাটিতে খৈল মেশাতে হবে। তার পেঁচিয়ে ইচ্ছামতো আকৃতি দেওয়া যায় গাছের। তবে নির্দিষ্ট সময় পর তার খুলে দিতে হবে। না হলে কাণ্ডে বসে যাবে তারের দাগ। অতিরিক্ত খাবার পেলে পাতা বড় হয়ে যায় গাছের। তখন নিয়ম করে ছেঁটে দিতে হবে সেগুলো।

/এনএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম