X
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪
৮ বৈশাখ ১৪৩১

নাট্য সমালোচনার সংকট

আবু সাঈদ তুলু
১০ জানুয়ারি ২০২৪, ১৯:১৯আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৪, ১৯:১৯

সমালোচনার দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া উৎকৃষ্ট সৃষ্টি সম্ভব নয়। একেকজন সৃষ্টিশীল মানুষ মানেই একেকজন বড় সমালোচক। তিনি নিজের ভালোলাগাই সৃষ্টি করেন, তবে যখন অন্যের শিল্পকর্মের উপর আলোচনা করেন তখনই গোলমাল বাধে। ভালো বললে খুশি, মন্দ বললে বিরক্ত হয়। আর যিনি বলেন তার শিল্পচেতনা কী তাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এসব কারণে সমালোচনা-চর্চার ক্ষেত্রটি একটু গোলমেলে। এখনও বাংলাদেশে সমালোচনা শব্দটি খুব নেতিবাচক অর্থে প্রচলিত। নাটক নিয়ে সমালোচনা করছে শুনলেই লোকজন আঁতকে উঠে। এমনকি একজন সমালোচককে অসৃজনশীল মানুষ হিসেবে কল্পনা করে থাকে। অথচ অনেকে বলেন, সমালোচক হচ্ছে শিল্পীর শিল্পী।

আমাদের দেশে নাটক নিয়ে পত্র-পত্রিকায় ‘নিউজ’, ‘নিবন্ধ’, ‘কলাম’, ‘প্রবন্ধ’, ‘রিভিউ’ ‘সমালোচনা’ প্রভৃতি আখ্যা দিয়ে নানা লেখা প্রকাশিত হয়। কিন্তু এরমধ্যে মূল্যায়ন বা বিচারধর্মী আলোচনাকে আমরা সহজে মেনে নিতে পারি না। নিজের শিল্পকর্মটিকে বিশ্লেষণ করতে নারাজ থাকি। আমরা নিজের শিল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দিতে চাই না। এতে ব্যক্তি সন্তুষ্ট হলেও সমষ্টি বা জাতিগত শিল্পচর্চায় খুব ক্ষতি হয়। বাংলাদেশের অনেক নাট্যজন মনে করেন, পত্রিকায় শুধু নিউজ হলেই ভালো। অর্থাৎ নিজের প্রশংসা-প্রচারই বড় করে দেখতে অভ্যস্ত। ফলে শিল্পের সর্বস্তরীয় বিকাশ নানাভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়।

ইউরোপীয় রেনেসাঁস সৃষ্টির মূলে ছিল যুক্তির বিকাশ, সমালোচনার বিকাশ। যা ইতালির পেত্রার্কের চিন্তার ভ্রুণ হয়ে রেনে দেকার্তের মধ্যদিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রকৃতির নিয়ম থেকে শুরু হয়ে শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে নানা কিছুকেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করেছিলেন ইমানুয়েল কান্ট। সমালোচনার বোধটি শিল্পজ্ঞানের সঙ্গে দার্শনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। ইউরোপীয় জীবন-সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল বুদ্ধিভিত্তিক পরীক্ষণের ফলে। যেটি বাংলাদেশে এখনো হয়নি। বাংলাদেশে এখনো নেতিবাচক পয়েন্টে কথা বলাকেই অনেকে সমালোচনা মনে করে থাকেন। অথচ সমালোচনা-বিদ্যা অন্যান্য জ্ঞানকাণ্ডের মতোই। অনেকে জানেই না কীভাবে প্রকাশ করতে হয় সমালোচনা অভিসন্দর্ভ।

‘সমালোচনা’শব্দের ‘সম’নানা অর্থ প্রকাশ করে। সম্যক, সমান বা সমর্থক আলোচনাকেই বোঝায়। প্রাচীন ভরতের নাট্যশাস্ত্রে সমালোচনাকে অভিহিত করেছেন ‘প্রাশ্নিক’ নামে। যা শিল্পসৃজন, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন চিন্তায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতবর্ষে মীমাংসা বা বিচার-শাস্ত্রে এর বিকাশ ঘটেছে। সতেরো শতকে ইউরোপে Critic বলতে শিল্পকর্মের ব্যাখ্যামূলক মূল্যায়ন বা বিচারমূলক আলোচনাকে ধরা হতো। তাদের প্রধান টুলস ছিল যুক্তিনির্ভরতা। রিচার্ডসের সংজ্ঞায় পাওয়া যায়-A Critic is to set up as a judge of values. কিন্তু ম্যাথু আর্নন্ড অবশ্য ভিন্ন কথা বলেছেন। ম্যাথু সমালোচককে মনে করেন Intellectual Middleman. যিনি শিল্প এবং দর্শকের মধ্যে ভাববিনিময়ে সহায়তা করে থাকেন। এরা শিল্পের উদ্দেশ্য আবিষ্কারের পথে হেঁটেছেন, শিল্পগুণ নির্ণয় এবং করণকৌশলের রূপকে বড় করে দেখেছেন। এসব বৈশিষ্ট্য ধরে নাট্য সমালোচনায় নাটকের উদ্দেশ্য-আদর্শ, রূপরীতির তত্ত্বীয় ও প্রয়োগিক বিষয়ের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, যৌক্তিকতা, ব্যাখ্যানকেই বোঝায়। এসব কথায় আরো স্পষ্ট যে, সমালোচনা হচ্ছে শিল্পের অভ্যন্তরীণ সত্যকে আবিষ্কার করে প্রথমত তা বিশ্লেষণ করা ও দ্বিতীয়ত তা বিচার করা। ম্যাথু আর্নন্ডের কথা ধরে আরো বলা যায়, ভালোকে জানার এবং জানানোর নিরপেক্ষ উদ্যোগকেই সমালোচনা হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি। 

গিরিশচন্দ্র ঘোষ সমালোচকদের পছন্দ করতেন না। তার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন সমালোচনা হবে সাহিত্যের ব্যাখ্যা। বুদ্ধদেব বসুর বিচারের পদ্ধতি ছিল নিজের রুচিবোধ, ভালো-মন্দ লাগার উপভোগনির্ভর ও পাঠকের সেতুবন্ধনের নিমিত্ত। এই ভূখণ্ডে হাজার বছর ধরে অলংকার, রীতি, রস, বাচ্য, সৌন্দর্য, ব্যঙ্গ নানা উপাদানভিত্তিক মানদণ্ড থাকলেও ত্রিশের দশকে বাংলা সমালোচনায় টিএস এলিয়ট, বোদলেয়ার কিংবা প্রতীকমুখী আধুনিকতাবাদ প্রধান হয়ে উঠেছিল। ইউরোপে তখন ব্রের্টল্ট ব্রেখট, কনস্তান্তিন স্তানিস্লাভস্কি, মেয়রহোল্ডের মধ্যদিয়ে থিয়েটারের নতুন মূল্যবোধ তৈরি হচ্ছিল। এ বাংলার শিল্প-সাহিত্য নন্দন বরাবরই ছিল টালমাটাল।

বিশ শতকের গোড়ার দিকে সমালোচনা বলতে ব্যাখ্যান, বিশ্লেষণ কিংবা মূল্যায়নধর্মী প্রবন্ধ রচনার প্রবণতাকে বোঝাতো। ইউরোপে প্লেটোর রিপাবলিক কিংবা এরিস্টটোফেনিসের ফগস্-এ যে প্রশ্ন করার ধারা তৈরি হয়েছিল তা যেন আধুনিক যুগে এসে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণের রূপ নেয়। সাথে বয়ে নিয়ে বেড়ায় হোরেসের আর্স পোয়েটিকার ভাব-ভাষা-কল্পনার সমুন্নতি, লুঙিনুসের পেরি হাইপুসের সাবলিমিটি কিংবা সিসিরোর অলংকার। আলেকজান্ডার পোপ, ম্যাথু আর্নল্ড, ফ্রেইর হয়ে অধুনা রোলা বার্থ, মাইকেল ফুকো, কার্ল মার্কস, ফেডরিক নিৎসে, সিগমন্ড ফ্রয়েড, ভার্জিনিয়া উলফ, সিমোন দ্য বোভেয়ার, দেরিদার ভাবনায় আলাদা জ্ঞানকাণ্ড হিসেবেও স্বীকৃতি পায়। ফলে ইউরোপে সমালোচনা বিদ্যার দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত সুস্পষ্ট। কিন্তু আমাদের এ ভূখণ্ড উপনিবেশ শাসনে অস্তিত্ব ছিল শঙ্কাপূর্ণ। প্রাচীন ভারতের ‘প্রাশ্নিক’-এর যে বিকাশ তা মীমাংসা তত্ত্বে উদ্গত হলেও এ সময়ে এসে যেন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এমনকি আবহমান বাংলার অলংকার, রীতি, রস, বাচ্য, সৌন্দর্য, ব্যঙ্গ নানা টুলস বা উপাদানগুলোও গুরুত্বহীন হয়ে উঠেছে। ফলে আমাদের বিচারের যথার্থ মানদণ্ড বা চিন্তার টুলসের বুদ্ধিভিত্তিক বিকাশ ঐ অর্থে পাওয়া যায় না।

অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনাকে তিনভাগে ব্যাখ্যা করেছেন- ব্যাখ্যান, বিচার ও রসোপভোগ। নাট্য সমালোচনা লিখতে গেলে বিষয়জ্ঞান-প্রজ্ঞা দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি। সমালোচনার ভাষাও হওয়া উচিত সুসংহত। চিত্রশিল্পের সমালোচনায় যেন গভীর জ্ঞান, বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ের দরকার তেমনি এ যৌথ নাট্যশিল্পের সমালোচনায় স্থিতধী, অধ্যয়ন, অনুধ্যান দরকার। নাট্য সমালোচনা সৃষ্ট শিল্পকে আঘাত করা নয়; বরং শিল্পের উন্নতি সাধন করা। এর জন্য দরকার সৃজনশীল মন-মনন, জ্ঞান, দক্ষতা ও গভীর পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা। ইতিহাসে মহাকবি গ্যেটে সমালোচকদের খুব অপছন্দ করতেন। তলস্তয় স্টুপিড বলে ধিক্কার করেছেন। কিটসের মৃত্যুর জন্য সমালোচকদের দায়ী করা হয়। বার্নাড শ-কে নানাভাবে নাজেহাল হতে হয়েছে- এসব সীমাবদ্ধতা আমরা জানি। তাই নাটকের সমালোচনা হওয়া উচিত পদ্ধতিগত পর্যালোচনা। শিল্প স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও সগৌরবান্বিত। নিজস্ব রূপেই নিজের মতো সুন্দর। কেউ তার নিন্দা করতে পারে না। কেবল তার ভেতরের নতুন নতুন সম্ভাবনাকে আবিষ্কার করতে পারে। তাই শিল্প ও শিল্পীর মনোভঙ্গির পর্যালোচনা করা যেতে পারে। শিল্পের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ-আবিষ্কার হতে পারে। শিল্পীর চেতনা, এমনকি কর্মপ্রক্রিয়া নিয়ে পর্যালোচনা হতে পারে। মানব-সমাজের উপযোগিতা নিয়ে গুরুত্বমূলক মূল্যায়ন হতে পারে। কখনো তুলনা, কখনো বিশ্লেষণ, কখনো গঠনমূলক প্রক্রিয়ায় তা বিবৃত হয়ে উঠতে পারে। অনুদ্ধারিত চিন্তা ও প্রক্রিয়াগুলোকে অনাগত মানুষের জন্য লিখে রাখার প্রবণতা হতে পারে। 

বাংলাদেশের নাট্য সমালোচনা দর্শকের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবেই বিবেচিত। তাই এ শিল্পমাধ্যমের সমালোচনা দৃষ্টিভঙ্গির বুদ্ধিভিত্তিক ও যুক্তিনির্ভর বিকাশ জরুরি। পত্রিকা কিংবা জার্নালের পরিসর অনুসারে আলোচনার ধরন ভিন্ন ভিন্ন হলেও একটি প্রযোজনার কম করে হলেও চারটি উপাদান নিয়ে কথা বলতেই হয়। সেগুলো হলো- প্লট, নির্দেশনা ও নির্দেশকের ব্যাখ্যা, পরিবেশনা বা অভিনয় এবং সর্বশেষ ডিজাইন- যেমন সেট, পোশাক, আলো ও আবহ। নাট্য সমালোচক Jhon Gassner বলেন Dramatic criticism consists of describing the interaction that occurred during a dramatic performance when each of the three entities the script, the production and the audience... আর নাট্য সমালোচনা লেখাটি সাজাতে হয় মূলভাবকে উদ্দীপিত করে এমন শিরোনাম, আকর্ষণীয় প্রথম লাইন; মধ্যভাগে বিশ্লেষণ ও আকর্ষণীয় সমাপ্তি বাক্য। নাটকের বর্ণনার সঙ্গে বিশ্লেষণ, ইঙ্গিতধর্মী উপকরণগুলোর ব্যাখ্যা; তার সঙ্গে বিচার বা মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ। সব সমালোচনা প্রবন্ধের লেখার কৌশল এক ধরনের হবে না- কোনো আলোচনা হতে পারে নাট্যক্রিয়ানির্ভর, কোনোটা চরিত্রনির্ভর, কোনোটা দৃশ্যনির্ভর বা কোনোটা মূল্যায়ননির্ভর। নির্দেশকের উপস্থাপনা রীতির উপর তা নির্ভর করবে। সমস্ত পরিবেশনা দিয়ে নির্দেশক যদি একটি অখণ্ডভাব বা চিন্তাকে উসকে দেওয়াকেই তার উপস্থাপনায় প্রধান মনে করেন তার আলোচনা হয়ে উঠবে বর্ণনানির্ভর। নির্দেশকের চিন্তাকে পাঠক যেভাবে অনুধাবন করতে পারবে সেভাবে লেখাই গুরুত্ববহ।

অনেকে মনে করে শিল্পের ভূগোল নাই। সত্যিই কি তাই? সাংস্কৃতিক ভূগোল বলে একটি শব্দও প্রচলিত আছে। শিল্পের স্থান কাল ও সময় আছে। মানবজাতি হিসেবে মানবিক কিছু আবেদন, রূপ-রীতি সমস্ত পৃথিবীতে একই ও সার্বজনীন বলে অনেকেই শিল্পের ভূ-সীমানা মানতে চান না। পৃথিবীর কয়েকশ কোটি মানুষকেই দেখুন। মূলসূত্র একই হলেও প্রত্যেকে প্রত্যেকে কত ভিন্ন। রূপ ও রুচি ও প্রকৃতি সমস্তই ভিন্ন। প্রকৃত পক্ষে সীমাহীনতার ধারণা এটা একটা নব্য-উপনিবেশের কৌশল। আমরা এদেশে বাস করে এদেশকে যেন ইউরোপীয় চোখ দিয়ে না দেখি। আমার সবকিছু বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন হবে আমার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ দিয়ে। এজন্য পৃথিবীর স্থান কালে আলোচনা ভিন্ন ভিন্ন হবে এটা স্বাভাবিক। নাট্য আলোচনায় প্রথাগত তাত্ত্বিকবোধ, স্থানকালের যৌক্তিকতা ও সৌন্দর্য সৃষ্টি বিবেচনা গুরুত্বপূর্ণ। যে লেখাটি নাট্যকর্মী ও সাধারণ দর্শক-পাঠককে একসঙ্গে অদেখা থিয়েটারকে বোঝাবে, মূল্যায়ন করবে এবং থিয়েটারে আগ্রহী করে তুলবে সেটিই আদর্শ লেখা।

সমালোচনা করতে গিয়ে অনেকে ইউরোপীয় রীতির অন্ধ অনুকরণ করে থাকেন। ইউরোপীয় দেশগুলোতে সমাজ-রাষ্ট্রের একটা নিজস্ব কাঠামো তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমাদের সে রকম কিছুই হয়নি। সেক্ষেত্রে প্রথমে আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ভিত্তিকে নির্মিত বাঙালির সাংস্কৃতিক চেহারা নানা রঙের যৌক্তিকতায় উদ্ভাসন প্রয়োজন।

সমালোচনা লিখতে গেলে নানা বিপত্তিও আছে। তা পূর্বেই কিছুটা উল্লেখ করা হয়েছে। সেজন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সুসংহত ভাষা। কবিতার সমালোচনা কবি, নাটকের সমালোচনা নাট্যকর্মী, কথাসাহিত্যের সমালোচনা কথাসাহিত্যিক, সংগীতের সমালোচনা সংগীতশিল্পীর করা সবচেয়ে ভালো। শিল্পে সীমাবদ্ধতা প্রকাশের ভাষাও সুসংহত হওয়া উচিত এবং সমালোচককের নিজস্ব সৃজনচিন্তা ও অভিমত প্রকাশে সুষ্পষ্ট হওয়া জরুরি। সমালোচককে হতে হয় ত্রিকালদর্শী। নাটক যেহেতু যৌথ শিল্পমাধ্যম। এখানে সাহিত্য কাব্য, নৃত্য, সংগীত, ক্রীড়া, চিত্রকলা, যাদু বিদ্যা, ইতিহাস, মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি জড়িত থাকে সেজন্য নাট্য সমালোচনার চিন্তন পরিসর অনেক বড়। শিল্প নিজেই নিজের মতো সুন্দর। তার কি কোনো ভালো-মন্দ শব্দ দিয়ে মূল্যায়ন করা যেতে পারে? শিল্পী এবং সমঝদার বা ভোক্তার সম্পর্কের উপর নির্ভর করে তার মূল্যায়ন। তাই সমালোচনা হতে হবে নির্দিষ্ট শিল্পের পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণমূলক আলোচনা। সমালোচনাচর্চার অনুকূল পরিবেশ বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় এখনো সৃষ্টি হয়ে উঠেনি। বাংলাদেশে নাটকে সমালোচনা যত বাড়বে, নাট্যশিল্পের শিল্পগত মান তত উন্নত হবে। 

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
তরুণদের নিয়ে বেসিস নির্বাচনে সোহেলের টিম স্মার্ট
তরুণদের নিয়ে বেসিস নির্বাচনে সোহেলের টিম স্মার্ট
তীব্র গরমেও শীতল করমজল!
তীব্র গরমেও শীতল করমজল!
ইসরায়েলের জন্য মার্কিন সহায়তা প্যাকেজে যা যা রয়েছে
ইসরায়েলের জন্য মার্কিন সহায়তা প্যাকেজে যা যা রয়েছে
এপিএ’র কর্মপরিকল্পনায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ
এপিএ’র কর্মপরিকল্পনায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট, হিন্দু মহাজোট ‘নেতা’ পুলিশ হেফাজতে
ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট, হিন্দু মহাজোট ‘নেতা’ পুলিশ হেফাজতে
জানা গেলো বেইলি রোডে আগুনের ‘আসল কারণ’
জানা গেলো বেইলি রোডে আগুনের ‘আসল কারণ’
প্রবাসীদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে কোটিপতি, দুই ভাই গ্রেফতার
প্রবাসীদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে কোটিপতি, দুই ভাই গ্রেফতার
চট্টগ্রামে ভূমিকম্প, মাত্রা ৩ দশমিক ৭
চট্টগ্রামে ভূমিকম্প, মাত্রা ৩ দশমিক ৭
কেএনএফের গুলিতে সেনাসদস্য নিহত, কেঁদে কেঁদে স্ত্রী বললেন আমার ৩ সন্তানকে কে দেখবে?
কেএনএফের গুলিতে সেনাসদস্য নিহত, কেঁদে কেঁদে স্ত্রী বললেন আমার ৩ সন্তানকে কে দেখবে?