প্রশ্ন : বইমেলায় আপনার নতুন কোনো বই এসেছে?
উত্তর : হ্যাঁ, দুটি নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। বেঙ্গল পাবলিকেশন থেকে ‘আমার একলা পথের সাথি’, অন্যটি কালকাতার আপন পাঠ থেকে গল্পগ্রন্থ ‘একটি পাতার মতো অন্ধকার’।
প্রশ্ন : ‘আমার একলা পথের সাথি’ কি গল্পগ্রন্থ? বইটি সম্পর্কে পাঠকদের কিছু বলুন।
উত্তর : এটা একটা নন-ফিকশন। বলতে পারেন অটোবায়োগ্রাফিকাল জার্নাল। একজন নারী লেখক ‘লেখক’ হিসেবে ঢাকা শহরে যেসব স্ট্রাগলের মধ্যদিয়ে যায় এবং বিভিন্ন ধরনের দলবাজি-রাজনীতির কারণে তার লেখা প্রকাশ করার সংগ্রাম অর্থাৎ আমার দীর্ঘ ত্রিশ বছর লেখক জীবনের সংগ্রাম এবং অভিজ্ঞতা এ বইয়ে পাওয়া যাবে।
প্রশ্ন : অটোবায়োগ্রাফিকাল জার্নাল লেখার পূর্বপরিকল্পনা ছিল?
উত্তর : হঠাৎ করেই লেখা শুরু করি। করোনার সময়ে চারপাশের মৃত্যুর সংবাদ শুনে লিখতে পারছিলাম না– আপনজন, অগ্রজ-সাহিত্যিকরা মারা যাচ্ছিলেন। সব মিলিয়ে ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন এই স্মৃতি-গদ্যটা লেখা শুরু করি।
প্রশ্ন : বলতে পারি আপনার লেখক জীবন আমরা এ বইয়ে পাব?
উত্তর : হ্যাঁ। অনেকের ভালোবাসা, ঘৃণা ও প্রতিবন্ধকতার পর আমি একটা জায়গায় পৌঁছেছি। সব তো লেখা সম্ভব না- কীভাবে লেখক হলাম বিশেষ করে আমার খুব আলোচিত উপন্যাস ‘বয়ন’- এটা লেখার পর থেকে আমার জীবনে কী কী ঘটলো সেসব ঘটনাবলি লিখেছি। যখন থেকে আমি লেখার প্রতি সিরিয়াস হলাম, নিজেকে বললাম লেখকই হব, সেই নব্বই দশক থেকে ২০১০ সাল- এই বিশ বছরে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো লিখেছি। যা আমাকে আনন্দ দিয়েছে, কখনো কখনো বিষাদগ্রস্ত করেছে।
প্রশ্ন : বইটি কেন একজন পাঠকের পড়া উচিৎ?
উত্তর : ঢাকা শহরের সাহিত্য বলেন বা সামাজিকতা বলেন সব জায়গায় কিন্তু একটা পলিটিক্স কাজ করে, মানে কোনো জায়গা মানুষের জন্য স্মুথ না। আপনি যা-ই করতে যাবেন, দেখবেন সবকিছুতে এক ধরনের পলিটিক্সের শিকার হচ্ছেন। এতো রাজনীতি-দলবাজি-কূটনীতির পরেও একজন লেখক কীভাবে একজন লেখক হয়ে ওঠেন- সে বিষয়টা জানার জন্য হলেও সবাই বইটা পড়বে।
'আমার একলা পথের সাথি' বইটি বইমেলার ২৩৮-২৪০ নং স্টলে পাওয়া যাবে।









