এক
কোনো ইচ্ছা নয়, আক্ষেপ নয়, অনুযোগ নয়, অপেক্ষা তো নয়ই—যা ঘটবার তা তুমুল ঝড়ে ঘটতে থাকুক। যা হবার তা তুমুল আঘাতে হতে থাকুক।
এই মাংস অবধারিত অক্সিজেনহীন। সাদা রক্তের দেহ। এ দেহের আর কি আসে যায়! দেহ চলে যাক শরমে-নরমে-আড়ালে-আবডালে।
কারা আছে কারা নেই, এসব আর ভাবনায় নেই। শৃঙ্গার বিদ্যুৎ বাজপাখির কৌশল রপ্ত করে উড়ে যাবে। তাকে আটকানোর কেউ নেই, কেউ থাকবেও না।
যে আসবে স্পর্শ নিতে, বাধাহীন স্পর্শের পরও তার আঙুল বেঁকে যাবে স্রোতের গর্তের দিকে। উঁহুঁ আহা ধ্বনিতে শোরগোল বেঁধে যাবে খরামাঠে। কেউ হাই তুলে কাঁদবে, কেউ কীর্তিনাশার সভা করবে। আর কেউ কেউ সুযোগমতো দৌড়ে পালিয়ে বেড়াবে।
দুই
আ
একেকটা পথ, একেকটা বেদনা আহা! পথে পরে থাকে কতকিছু! কতশত আঘাতের বাঁক। কতসব পদচিহ্ন! কোথাও কোথাও পথ ভার না সইতে পেরে নেমে গেছে পাশের শস্য খেতে। জলের সাথে আলিঙ্গন শেষে ফিরে এসে দেখে—মানুষ নতুন পথ তৈরি করে নতুনভাবে আঘাত করে যাচ্ছে আরেকটা পথকে। সবখানে একইরকম। আদতে মানুষ পেয়ে গেছে পোড়া পথের গন্ধ।








