শহর থেকে অনেক দূর যাব বলে তোমাকে বুনে দিয়েছিলাম একটি গ্রামের মাটিতে। তুমি মাঠ হলে গাছ হলে বিস্তর ধানখেত হলে পুকুরপাড়ে লাগানো হাসনাহেনার মতন ছড়িয়ে গেলে মগজের সুগন্ধি দুপুর। বিকেলের বেলা কাটে না তোমার নদীতে পা দোলায় আলতা পরা উদ্ধত ঊরু সন্ধিৎসু চোখে তাকায় তোমার দুরন্ত বাড় বাড়ে। আড়েঠারে গোপীরা তাকায় আমি নিমন্ত্রণপত্র ছাপাতে গিয়ে চাপাতির শরণাপন্ন হই। শহর থেকে অনেক দূরে যাব যেতে চাই তোমার ধানের গোলায় রাত্রিচারী উনুনের দীর্ঘ প্রলয় তুমি নেভাতে পারো না। পূবদিকে সূর্যোদয় তোমায় চোখ তারচেয়ে জ্যোতির্ময় যে পশ্চিমে যেতে পারলে বাঁচে সেখানে ইয়েটস্ ওর্ডসওর্থ অর্ডিন্যান্স রোগের দোকানে অবিরাম নির্ঘুম ঘণ্টাঘর। তোমার আলপথে হাঁটতে হাঁটতে মরণোত্তর শৃঙ্গারে ডুবে যাচ্ছে সমস্ত ঘাস, পাথরও কম নয়। এইবার হাত দুটো দাও আমি প্রায়শ পৌঁছানোর পাঁয়তারা করি তোমার আঙুর বাগানে আঙুলের বশে কত যশ কারে গিয়া বলি। একটি অখণ্ড গ্রাম তুমি ওঠো বাছা শীতকাল আগত প্রায়। গতিশীল বর্ষায় নামানো ঢলের মুণ্ডুপাত করতে হলে পরোয়া করো না পরানের গহনকুসুম। উল্কাপাত করো না কেবল বীর্যপাতের বন্যায় আবহাওয়ারত পদ্মাসন মেডিটেশনের ব্যর্থতায় জব্দ না হওয়া অব্দ তুমি গ্রামকে গ্রাম মহামারি। রাধাকে থামাও। একটা নিম অশ্বত্থ অথবা দেবদারুকে ভুলবশত তুমি করে নেয়ার মতন অথর্ব সে নয়। তুমি তো একটব স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রাম আমির মতন কোনো এক ধীবরের অপেক্ষায় চিরদুঃখের মিস্ট্রি কাপালিক।









