মৃত্যু আমাকে নেবে, জীবনও নেয়—
ভেতরে তার মায়াবী আগুনজল কুহক নৃত্য—
এক অদ্ভুত ঘোড়দৌড়ের সঙ্গে আমরা
চলেছি একসঙ্গে একাকী—দিক-দিশারি বুঝিবা নাই—
চলার কাছে ছন্দ অদ্ভুত—দ্বন্দ্ব জড়িমা—
বিভোরতায় মাতাল শূন্যে ঝুলছে জীবনের পুরানো কথা—
কথারা কাজে কাজগুলো কথায় নৃত্য মুদ্রায়—
উড়ছে পাখি যেনবা স্বপ্ন অদ্ভুত শূন্যে সমতলে—
মায়াবী জোছনায় ঝুলছে জীবন অদ্ভুত আঙরাখায়—
আমায় ডাকছিল মধ্যরাতের পাখিরা—
উড়তে থাকো ডানা-ভাঙা ভয় নাই—
অলৌকিক ঔরসে জন্মাচ্ছে দেখো আশ্চর্য আলো—
আঁধারে কান্না- বিজন বনে অদ্ভুত সুর ভাসছে শোনো—
শোনার মন নাই মৃতবৎসা মুহূর্তে—
নিরাপদে যাচ্ছ সরে সমস্ত কেউকেটা—
আবার ঝরে বৃষ্টি আকাশে মেঘের সারি—
সমুদ্রে পাখি অরণ্যের নির্জনে মানুষ আরো মানুষ—
মানুষ আসে যাচ্ছে সরেও—কী চিহ্ন কী ফুল বাতাসে শূন্যে—
রেললাইনের দূরত্বে মানুষ সরে যায়—হা-হুতাশ শূন্যে সমতলে।









