ঈদ সংখ্যা ২০২৬

নেক্সট ডোর নেইবার

শাহনাজ নাসরীন
২৯ মার্চ ২০২৬, ১৭:২৫আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৭:২৫

আচ্ছা এই দেশটা বাংলাস্তান হবে নাকি বাংলাদাদ হবে বলেন তো? জিনিয়া কিছুটা বিষণ্ন কিছুটা রাগ নাকি ব্যঙ্গ সব মিলিয়ে কেমন একটা বিকৃত মুখাবয়বে তাকিয়ে আছে। প্রশ্নটা আমাকে করলো কিনা বুঝে ওঠার আগেই আইভি দি’ বললো, যাই হোক ভালো কিছু হয় নাই। মেঘে মেঘে বেলা গড়িয়েছে অনেক দূর।

আমি একটু থতোমতো খেয়ে চুপ করে থাকি। এসব নিয়ে কথা বলতে ভয় লাগে এখন। কোন কথায় কী ঘটবে এই দুশ্চিন্তা আমাকে সবসময় ভয় দেখায়।

তবে আইভি দি’ তেমন নয়, তিনি বলেন মরলে মরবো এমনিতেও ক'দিনই বা বাঁচব, পঁয়ষট্টি বছর বয়স আমার। মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি, পুরো পরিবার পালিয়ে বেড়িয়েছে আবার বিয়ের বয়সি দিদিকে কত রকম করে আগলেছে সেই স্মৃতির কাছে মৃত্যু খুব বড় কিছু না। আমরা তো আসলে এখন বোনাস জীবন কাটাচ্ছি। আত্মীয়েরা বর্ডার পার হয়ে গেল সব ছেড়েছুড়ে কিন্তু আমার গোয়ার ঠাকুরদার কারণে বাবা পিছিয়ে গেল। এরপর যখন ঠাকুরদা রাজি হলো তখন বর্ডারে আমাদের দলটা ধরা পড়েছিল। ঠাকুরদা প্রাণ দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন। সেই লম্বা কাহিনি বলতে গেলে হাজার রজনি পার হবে, এখন সময় নেই, তোমাদের দাদা কোর্টে যাবে, আমার চুলায় রান্না।

নীতার বয়স কম। একাত্তরের অনেক পরে তার জন্ম। বললো আমার আত্মীয়েরা আমাকে নিয়ে খুব ভয়ে আছে আইভি দি’। বারবার জিজ্ঞেস করে প্রতিবেশীরা কেমন। আর ফোন করে শুধু বলে তোমরা চলে আসো, কখন কী হয়।

আইভি দি বলে, হ্যাঁ আমার মেয়েও ভয়ে অস্থির হয়ে আছে, কাল রাতেও কান্নাকাটি করেছে। বলে তোমাদের আর দেশে থাকার দরকার নেই, আমার কাছে চলে আসো। আমি বলেছি আমাদের প্রতিবেশীরা খুব ভালো, কিছু হবে না আমাদের। অবশ্য এও ঠিক, গুন্ডা ঢুকে গেলে তো প্রতিবেশীরা ঠেকাতে পারবে না।

নীতা আমার দিকে তাকিয়ে হাসে। ও প্রায়ই আমাকে বলে আপা আপনি যে পত্রিকায় কাজ করেন এটা জেনে আমার খুব ভালো লেগেছিল, কেমন যেন সাহস বেড়ে গিয়েছে।

আমি অসহায় চোখে তাকাই, মনে মনে বলি আজ আমরাও বিপন্ন নীতা, তোমাকে কী করে সাহস দেবো বলো।

সালমা নীতার চেয়ে বারো চৌদ্দ বছরের বড় হবে। ঘরে বসে বুটিকের ব্যবসা শুরু করেছে বছরখানেক হলো। তিনটি বাচ্চা, সংসার আর ব্যবসা নিয়ে জেরবার হয়ে থাকে সবসময়। আড্ডা জমে উঠলে দরজা খুলে দাঁড়ায় চুপচাপ। আজ কথা বললো। আমার দিকে তাকিয়ে বললো, দেশের কী অবস্থা আপা? আন্দোলনের ধাক্কায় আমার ব্যবসা তো শেষ। ব্যবসা বেশ খারাপ যাচ্ছে এই নিয়ে হতাশায় ভেঙে পড়েছে সে। বললো কী অবস্থা যে হবে। কালকে দেখেছেন নারীর পুতুল ঝুলিয়ে ঝাড়ুপেটা করেছে? কী যে ভয় লাগে, রাস্তায় বের হলে কখন কোন অপমানের শিকার হবো কে জানে! আমার হাজবেন্ড কি বলেছে জানেন— বলে বোরকা পরলে যখন ভয় নেই, বোরকা পরে বের হলেই তো হয়। সমস্যা বাড়ানোর দরকার কী, বরং বোরকার ব্যবসা শুরু করতে পারো।

আমি অবাক হয়ে বলি আপনি কী বললেন?

সালমা বলে কী আর বলবো বলেন, সমস্যা যে কী সেটা যে না বোঝে তাকে আর কীভাবে বোঝাবো? কী যে হতাশ লাগে! তবু চুপ করেই থাকি। এমনিতেই তার টেনশন করার বাতিক, এগুলো নিয়ে বেশি কথা বললে মাথায় ঢুকে যাবে, তাতে আমার সমস্যার সমাধান তো হবে না, উল্টো ঝামেলা বাড়বে। সে মানুষ খারাপ না আপা, আমার ওপর কিছু চাপিয়ে দেয় না কখনো, কিন্তু ঝামেলা এড়াতে চায়। ভীতু মানুষ, বলে আমাদের জন্য তো কেউ নেই, আমাদের সমস্যার সমাধান আমাদেরই করতে হবে। আমরা দুজনেই সংসারের চাপে ক্লান্ত আপা। বাড়িতে টাকা পাঠিয়ে এখানের সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। বাচ্চারা বড় হচ্ছে, খরচ বাড়ছে হু-হু করে, পাল্লা দিয়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। আমি একটু একটু ইনকাম করতে শুরু করেছিলাম, কিন্তু গত দু’মাসে একদম জিরো।

এই আমি গেলাম, ভাত বোধহয় নরম হয়ে গেল বলতে বলতে আইভি দি’ ঢুকে যান। সালমারও কিছু মনে পড়েছে হয়তো, ওহ বলে ভেতরে চলে যায়।

আমি, নীতা আর জিনিয়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করতেই থাকি। নীতা, জিনিয়া, আইভি দি’, মেহনাজ, সালমা আমার নেক্সট ডোর নেইবার। নেক্সট ডোর নেইবারের এক কথায় প্রকাশিত বাংলা আছে কিনা আমি ঠিকঠাক জানি না। বুঝি, পাশের বাড়িতে যিনি থাকেন অর্থাৎ দরজা খুললে যে প্রতিবেশীর দরজা, তিনিই নেক্সট ডোর নেইবার, মাঝে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকা চলবে না। তাহলে দরজা খুললে মুখোমুখি বা কোনাকুনি যিনি? এত কথা বলছি এজন্য যে এতকাল নেক্সট ডোর নেইবার বলতে মাথায় যে চিত্রটি প্রোগ্রামিং হয়ে আছে আমার, নেক্সট ডোর নেইবার তেমন নয়। একটি বাড়ির বাসিন্দার একসঙ্গে অনেকগুলো নেক্সট ডোর নেইবার কি হতে পারে? সেক্ষেত্রে এর বহুবচন হবে নেক্সট ডোর নেইবারস? হয় কিনা জানা হয়নি, ইংরেজি ভালো জানি না। প্রশ্নটা উঠল, এখন যে বাড়িটিতে থাকতে শুরু করেছি তার প্রতিটি বাসা এমনভাবে সাজানো যে ছ’জন নেক্সট ডোর নেইবার হয়ে গেছে অর্থাৎ কিনা নেক্সট ডোর নেইবারের শর্তগুলো তারা পূরণ করছেন একইসঙ্গে।

নীতা, জিনিয়া, মেহনাজ, সালমার বর অফিসে চলে গেলে প্রতিদিনই আমরা যার যার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ গল্প করি। এটা কোনো সিদ্ধান্ত নয়, কেউ বরকে বিদায় দিতে দরজা খোলে, কেউবা কাজের লোকের বেল টেপার শব্দে, কেউ আবার অন্যের দরজা খোলার শব্দ পেয়ে গুটি গুটি বেরিয়ে আসে, এভাবেই গল্প জমে ওঠে। আমি মূলত দাঁড়াই গল্প সংগ্রহ করার জন্য। প্রতিদিন কত শত গল্প মানুষের চরিত্র, নানারকম সম্পর্ক, শাশুড়ি বা অন্য আত্মীয়দের বা সংসারের যাবতীয় পলিটিক্স, তেলনুনের হিসাব শুনতে শুনতে সমাজ আর রাষ্ট্রকাঠামোর নানাবিধ অসংগতি, নারীর ওপর নির্যাতনের সামাজিক কাঠমোগুলো লক্ষ করি।

এমন সময় নীতা ক্লান্ত গলায় বললো, নাহ দেরি হয়ে যাচ্ছে, বাজারে যাই। জিনিয়া বলে, এমন ক্লান্ত লাগছে কেন, রাতে ঘুমাওনি? বরের সাথে ঝগড়া করেছো?

নীতা ম্লান হেসে বলে, অফিসে যাওয়ার সময় অল্প টাকা দিয়ে হুমকি দিয়ে গেছে বাজারটা যেন বুঝেশুনে করি। আমি নাকি খরুচে, সে আর পেরে উঠছে না। আচ্ছা আমি কী করতে পারি বলো তো? জিনিসপত্রের দাম এত বেড়েছে, বাজারে গেলে মাথা ঘুরতে থাকে। সাজপাট করি না, শাড়ি গহনা কিনি না। শখের মধ্যে দু’চারটে বই কিনি এই তো! কাল শাহবাগ গিয়েছিলাম মানববন্ধনে, দুটো বই কিনেছিলাম, যাওয়া তো হয় না তেমন, তো ফিরতেই ঝড় বয়ে গেলো। সব ভালোলাগা ভেঙে খান খান। সিএনজি ভাড়া, বইয়ের দাম—তাকে একেবারে ফতুর করে ফেলছি আমি। আর বাচ্চাগুলোও আমার কারণেই উচ্ছন্নে যাবে। কাল নাকি বাড়ি ফিরে দেখেছে ছেলে হোমওয়ার্ক করেনি, মেয়ে মোবাইল নিয়ে খেলছে... ইত্যাদি ইত্যাদি। অসহ্য লাগে জানো। সে প্রতিদিন অফিস শেষে বন্ধুদের সাথে এক দু’ঘণ্টা আড্ডা দিয়ে বাসায় আসে...সংসার যেন আমার একার, সব দায় আমার!

জিনিয়া বলে, হুম বোঝা গেলো কাল রাত্তিরে ঝড় বয়ে গেছে রজনিগন্ধা বনে— কার লাইন? নীতা উত্তর দেয় না, আবার বলে দেরি হয়ে যাচ্ছে বাজারে যাই। সংসারটা হিসাবের খাতা হয়ে গেছে বুঝলে, এত হতাশা নিয়ে আর কবিতা হয় না।

জিনিয়া বলে হ্যাঁ ঠিকই, মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীর জীবন ক্লান্তি আর হতাশায় ভরা, শুধু রংগুলো আলাদা। আমার মা, নানি সবার এ অবস্থাই দেখেছি। আমরা তো একই বয়সি নীতা, আইভি দি’র চেয়ে কত ছোট আমরা অথচ ওর চেয়ে কম সাহসী। দাদা আর আইভি দি’র সংসারের চেয়ে আমাদের সংসারে বোঝাপড়া কম। আমার অবস্থা দেখো। পড়াশোনা করেছি, চাকরি পেয়েছি কিন্তু রাখতে তো পারলাম না, বাচ্চা হওয়ার পর সংসারের চাপে আমার ক্যারিয়ারই জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে। অথচ এখন কথায় কথায় শুনতে হয়, তুমি কী বুঝবে, সব কিছুতেই তোমার সমস্যা... এরকম আরও কতশত বুদ্ধিজীবী ডায়লগ! আমারও তোমার মতো খুবই ক্লান্ত লাগে ভাই, সংসার অসহ্য লাগে। তুমি তো অভিমান করে চুপ করে থাকো, আমি কিন্তু ওকে অনেকভাবে বোঝাতে চেষ্টা করেছি যে সংসারে অভাব আছে, হিসাবনিকাশ আছে, দুঃখ বেদনা, বিপদ-আপদ সবই আছে এবং থাকবে, কিন্তু আমরা দুজন যদি পরস্পরের সহায় হই, কথা বলার একটা কমন স্পেস বজায় রাখি, তাহলে নিশ্বাস নেওয়াটা সহজ হয়। কিন্তু সে আমি যে কী হাস্যকর কথা বলেছি এমন ভাব করে নিজের মধ্যে ডুবে যায়। যে কেউ বলবে সংসারে সে দায়িত্ববান স্বামী, বাবা। কিন্তু আমার ভেতরের মানুষটাকে সে জানতে চায় না, পাত্তাও দেয় না...।

নীতা কথা কেড়ে নিয়ে বলে, ঠিক ঠিক আমার ভেতরের মানুষটাকে চেনার কোনো তাগিদ আমার বরের নেই! এখনো তারা টিপিক্যাল সংসারের কনসেপ্টেই পড়ে আছে, সে জন্য আমাদের মনে করে সমস্যা। আমরা কিছু বললে সেটা ঘ্যান ঘ্যান মনে হয়, আমাদের শুধু সব ম্যানেজ করার দায়। তুমি আইভি দি’র কথা বলছো, কিন্তু আমি কী মনে করি জানো? এই বোঝাপড়ার সবটাই আইভি দি’ রক্ষা করেন। দাদার পছন্দের বাইরে হয়তো তার পছন্দ নেই বা তিনি মনেই করেন দাদার মনমতো চলা তার কর্তব্য, সেজন্য ঝামেলা কম হয়।

আমি হাসি, আর যে মেয়েরা বেশি অ্যাকটিভ, জোর করে মনের কথা শোনাতে চায়, তারা ঝগড়ুটে তাই না? সবাই হাসে, এর মধ্যে আইভি দি’ আবার বের হয়েছেন। হাসতে হাসতে বললেন, ঠিকই তো আছে, ওরা তোমাদের ভাত কাপড় দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছে, মন চেনার নেয়নি। আবার আমরা হেসে উঠি। আইভি দি’ আবার বলেন, প্রতিবাদী মেয়েদের ঝগড়াটে যত না বলে তার চেয়ে বেশি বলে চরিত্রহীন। আমি যে কী কষ্ট করেছি বলবো একদিন। ঝগড়া করলে তো সম্মান থাকে না, তখন যাবো কোথায় বলো?

কয়েক দিন আগে ঝাড়ামোছা করতে গিয়ে আমার একটা ডায়েরি হাতে এলো। আগে নিয়মিত লিখতাম, এখন আর লিখি না বলে ধুলোর স্তর জমে আছে। হাসলো জিনিয়া, ফেলে দিচ্ছিলাম প্রায়, তারপর মায়া লাগলো, পরিষ্কার করলাম। তারপর খুলে পড়তেও বসলাম। বিশ্বাস করবে না নিজেকেই যেন চিনতে পারছিলাম না। এ আমি! এমন আত্মবিশ্বাসী, অপটিমিস্ট! আমি একসময় স্বপ্ন লিখতাম, কবিতা লিখতাম! কথা বলতে বলতে হঠাৎ মেহনাজের ফ্ল্যাটের দিকে তাকিয়ে জিনিয়া বলে, মেহনাজ আপা ফেরেননি এখনো?

সালমা বলে কাল অনেক রাতে বাবুকে বাথরুম করাতে উঠেছিলাম, তখন ওদের ঘরে আলো দেখেছি।

আপার বোনের ছেলেটার গুলি লেগেছে, এখন কেমন আছে কে জানে! ফোন করতে অস্বস্তি হয়, কী অবস্থায় আছেন বুঝতে পারি না তো।

বললাম- আমি ফোন করেছিলাম দু’দিন, ফোন বন্ধ ছিল। তারপর আগের কথার খেই ধরে বলি, দেখা যাচ্ছে বিয়ে না করে আমি ভালোই আছি। তারা সমস্বরে বলে, কী যে ভালো আছেন আপা কল্পনা করতে পারবেন না। এবার আমার হাসার পালা, রহস্য করে বলি আমার বাবা তো বেঁচে নেই, থাকলে এই সুখ ভোগ করতে পারতাম কিনা জানি না। তবে মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সবাই আমার দুঃখে মারা যাচ্ছে। তাদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। আমার ওপর তারা যে কী পরিমাণ বিরক্ত সেসব কাহিনি বলতে গেলে সাত খণ্ড রামায়ণ হবে। বলেই ভয় পেয়ে যাই, এখন কি তারা আমাকে প্রশ্ন করবে, আমার কাহিনি জানতে চাইবে? আমি তো বলতে রাজি না, শুধু শুনবো আর নিজের লেখাকে ঋদ্ধ করবো সেই মতলবে জাল ফেলে ঘাপটি মেরে বসে থাকি। আজ কি ধরা খেয়ে গেলাম! তাড়াতাড়ি বলি ওসব এখন থাক, অফিসের প্রস্তুতি নিই বরং...।

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম