২০০৬ থেকে ২০১৬। এক দশক পূর্তি হয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে সিলেট তথা এদেশের কৃষি খাতকে আরও উন্নত করার চেষ্টা। নিয়মিতভাবে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সাফল্যও এসেছে অনেক। বিশ্বমানের স্নাতক তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়ে দিতে চাচ্ছে কৃষিই কৃষ্টি, কৃষিতেই এদেশের সমৃদ্ধি।
২ নভেম্বর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস এবং প্রতিষ্ঠার এক দশক পূর্তি উদযাপন করার লক্ষ্যে বিস্তর আয়োজন হাতে নিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ৫ এবং ৬ নভেম্বর বিভিন্ন আয়োজনে এক দশক পূর্তি উদযাপন করবে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে ইতিমধ্যে সকল পরিক্ষা ও ক্লাসের ছুটি দিয়েছে প্রশাসন। ক্যাম্পাস সাজছে রঙিন সাজে। প্রতিটি অনুষদ ভবন আর রাস্তায় রাস্তায় হচ্ছে আলোকসজ্জ্বা। ৫ নভেম্বর সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গন হতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালী সিলেট শহর প্রদক্ষিন করে ক্যাম্পাসে ফিরবে। দুপুর ১২ টায় কেক কেটে উদযাপনের উদ্বোধন করবেন অতিথিবৃন্দ। দুপুর সাড়ে ১২ টায় নবনির্মিত লাইব্রেরি ভবনের প্রাঙ্গণে বিভিন্ন অনুষদের দেয়ালিকা উন্মোচন করা হবে।
১২ টা ৪০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী চত্বরে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি’র আয়োজনে অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন হবে। যা চলবে সারাদিন। বিকেল ৪ টায় কনভোকেশন গ্রাওন্ডে অনুষ্ঠিত হবে
এছাড়া রয়েছে আলোচনা সভা। সন্ধ্যা ৬ টা থেকে শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তথা ক্যাম্পাসের সংগঠন ‘বিনোদন সংঘ’ ও ‘কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংঘ’ এর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে প্রদর্শিত হবে ফটোগ্রাফিক সোসাইটি নির্মিত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র।
৬ নভেম্বর বিকেল ৩ টায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরণের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৬ টায় কনভোকেশন গ্রাওন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ‘শিরোনামহীন’ ব্যান্ডের পরিবেশনায় কনসার্ট। কনসার্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন ‘মেট্রোনোম মিউজিক্যাল ক্লাব’ ও অতিথি ব্যান্ড ‘কাইটস’ এর পরিবেশনার কথা রয়েছে। দু’দিন ব্যাপী আয়োজনের শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে ক্যাম্পাসে। আয়োজন সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্যাম্পাসের সংস্কৃতিপাড়ার মানুষজন, আয়োজক ও প্রশাসন।
/এফএএন/








