জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রবিবার সন্ধ্যায় শহীদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। সোমবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন মধ্যে দিয়ে শুরু হয় কর্মসূচি পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চির উন্নত মম শির’ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম. মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক সমিতি, বিশ্ববিদ্যাল শাখা ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে ‘গাহি সাম্যের গান মঞ্চে’ অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
এসময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এদেশে গণহত্যার সূচনা করে। সেই রাতে অগণিত নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করা হয়।২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা শুরুর পর পর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
তার ডাকেই আমরা অস্ত্র হাতে নিয়েছি জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিরা যখন ক্ষমতায় তখন বিভিন্ন সময় বিরোধী দলের প্রধানদের নানা লোভনীয় প্রস্তাব পেয়েছি কিন্তু কোনও কিছু ভাবার আগেই সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। আর তখন শুধু একটি কথাই ভেবেছি আর তা হল যে বঙ্গবন্ধুর পায়ের কাছে বসে উপদেশ নিয়েছি সেই বঙ্গবন্ধুর রক্তের উপর বসে মন্ত্রীত্ব চাই না।
এছাড়াও মঞ্চে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কলা-সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। আলোচনা সভা শেষে ৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সন্মাননা দেওয়া হয় এবং সমাপনী পর্বে সংগীত এবং নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়।








