ইবিতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রমৈত্রীর পৃথক কর্মসূচি

ইবি প্রতিনিধি
১২ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১৫আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৯
image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ ও ছাত্রমৈত্রীর ইবি শাখা। রবিবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ও ডায়না চত্বরে তারা এ কর্মসূচি পালন করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করে তারা। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ও মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মূর‌্যালের পাদদেশে মানবন্ধন করে ছাত্রলীগ। মানবন্ধন শেষে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ইবিতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রমৈত্রীর পৃথক কর্মসূচি
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ আসকারী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান,কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম তোহা এবংপ্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান।
এদিকে দিনের একই সময়ে ছয় দফা দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল ও ছাত্র সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রমৈত্রীর নেতা কর্মীরা। ক্যাম্পাসের ডায়না চত্ত্বরে এ কর্মসূচি পালন করে তারা।
দলীয় ও ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, গতকাল বেলা ১১টায় দলীয় টেন্ট থেকে মিছিল বের করে ছাত্রমৈত্রী। তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডায়না চত্তরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইবি শাখা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি মোরশেদ হাবিব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন।

ইবিতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রমৈত্রীর পৃথক কর্মসূচি
সমাবেশে বক্তারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ,সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিল করে দ্বিতীয় শীফট চালুকরণ,সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, শিক্ষামন্ত্রলাণয় থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে দুর্নীতি বন্ধ করা ও পরিবহণ সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাসহ ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এছাড়াও অবিলম্বে তাদের ছয় দফা দাবি মেনে নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন করে ইকসু নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানায় তারা। সেই সঙ্গে মেহনতী মানুষদের কথা চিন্তা করে বিশেবিদ্যালয়ের বর্ধিত ফি কমানোরও দাবি জানান বক্তারা।

/এনএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম