কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সদ্য পাশকৃত ‘অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প’ এর যথাযথ বাস্তবায়ন এবং প্রকল্পকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিদ্যমান বিভিন্ন অস্পষ্টতা দূর করতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিশ্ববিদ্যালটির উপাচার্য। মঙ্গলবার প্রশাসনিক ভবনে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মূলত, পাশকৃত ১ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার এই প্রকল্পের বড় খাত নতুন ২০০ দশমিক ২২ একর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য নির্ধারিত জায়গা নিয়ে ক্যাম্পাস বিভক্তির যে প্রশ্ন উঠেছে, সে সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী এবং রেজিস্টার (চলতি দায়িত্ব) ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. আবু তাহের।
এ সময় উপাচার্য বলেন, ‘দীর্ঘদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও উন্নয়ন হয়নি। এবার দিন এসেছে এগিয়ে যাওয়ার। এই প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন হলে এটি হবে বিশ্বমানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকল্পের একটি টাকাও নষ্ট হতে দেব না। সবার উচিত উন্নয়নের ধারায় যুক্ত হয়ে প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নে কাজ করা।’
নতুন ভূমি অধিগ্রহণ ক্যাম্পাস থেকে দূরে কেন নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে রেজিস্টার বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পাশের জমির দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় জমি অধিগ্রহণে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ আছে তা দিয়ে ২০০ দশমিক ২২ একর ভূমি অধিগ্রহণ সম্ভব না। তাই ক্যাম্পাস থেকে মাত্র ১২০০ মিটার দূরে নতুন জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে।’
সভায় শিক্ষার্থীরা দুই ক্যাম্পাস যুক্ত করতে মাঝখানের জমি অধিগ্রহণ করে সংযোগ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব জানায়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুর, প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ আরও অনেকে।








