চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের ৩৩৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুলাই) এ আর মল্লিক ভবনে উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ৩১ তম সিনেট সভায় সভাপতিত্ব করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিণ আখতার। এসময় বাজেট উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নুর আহমদ।
প্রতি বছরের মতো এবারও সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বেতন ভাতা খাতে। এখাতে বরাদ্দের পরিমাণ ২১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ৬৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তাছাড়া গবেষণায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা, যা মোট বাজেটের ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। এদিকে পরিবহন খাতে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিশারিজ এর গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির খাতে ২ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০৯ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা চাহিদার বিপরীতে ৩৩৯ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। যার মধ্যে ৩১৬ কোটি টাকা দেবে ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য নিজস্ব আয় থেকে পাওয়া যাবে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বাকি ৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ঘাটতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সাথে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৩৩৪ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা সংশোধিত বাজেটের অনুমোদনও দেওয়া হয় সিনেট সভায়।
সভায় রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। একজন শিক্ষার্থীর পিছনে সরকারের বিশাল ভর্তুকি শুধুমাত্র অসচ্ছল- মেধাবী শিক্ষার্থীদের যোগ্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি করার আন্তরিক প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়। যাতে তারা ভবিষ্যতে আলোকিত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠে দেশ- জাতির উন্নয়ন- কল্যাণে কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে পারে।’
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত), সিনেট সদস্যবৃন্দ, সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।








