আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের পথ ধরে পৃথিবীর অন্যান্য সভ্য দেশের সঙ্গে একটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বর্তমান মানব সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তিগত ভাবে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এই এগিয়ে যাওয়াটাই চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ঘটানোর সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বৃহষ্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান স্টুডেন্ট স্টার্টআপ চ্যাপ্টার টু এর বাছাইপর্বের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ শিক্ষার্থী। যাদের দুর্ভাবনার অন্যতম প্রধান বিষয় হলো শিক্ষা শেষে চাকরি পাবো কিনা। সেই দিকটা মাথায় রেখে বর্তমানে বেশকিছু উদ্যোক্তা মুলক প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে আসছে। যা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের চিন্তায় আচ্ছন্ন রাখবেনা। এর মাধ্যমে কেবল তাদের চাকরিই করা নয় বরং চাকরি দেয়াটাও সম্ভব হবে।’
জানা যায়, উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইয়ংবাংলা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ভবনের সভাকক্ষে স্টুডেন্ট স্টার্টআপ চ্যাপ্টার টুয়ের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
সে অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারী বেসরকারি প্রায় ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যেখানে ১০জন করে একেকটি দল বাছাই পর্বে অংশগ্রহণ করবে। বাছাই পর্ব শেষে চুড়ান্তপর্বে ১০টি দল নির্বাচিত করা হবে। প্রতিটি দলকে দশ লাখ করে মোট এক কোটি টাকা অনুদান দিয়ে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাবেন স্টুডেন্ট স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানটি।
ইয়ংবাংলা ইবি শাখার ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর মারিয়া তানজিমের সঞ্চালনায় এবং তন্ময় সাহা টনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড ইন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমির সহযোগী ম্যানেজমেন্ট মো. আনিছুর রহমান, স্টুডেন্ট স্টার্ট আপ এর কো-অর্ডিন্টের আশিকুর রহমান রুপক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমান, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক উম্মে সালমা লুনা, গণিত বিভাগের প্রভাষক শামিমা নাসরীন প্রমুখ।








