পকেট ভারি করতে রাজশাহী বিশ্বদ্যালয় প্রশাসন পূর্বের শিক্ষক নীতিমালা বাতিল করে নিম্নমানের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম টিপু।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের পাশে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পূর্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালা মানসম্মত ও সর্বজন প্রসংশিত ছিল উল্লেখ করে অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম টিপু বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসন কী কারণে এ ধরনের সর্বজন স্বীকৃত একটি নীতিমালা বাতিল করলো সেটি আমার বোধগম্য নয়। তবে বর্তমান নীতিমালায় নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের দেখে এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান তার স্বজনদের নিয়োগ দিতে নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করেছেন।’
মানববন্ধনের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬৪ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের কত টাকা গবেষণার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেটি প্রকাশ করছে না প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজন তবে তা কখনও গবেষণাকে বাদ দিয়ে নয়। উন্নয়নের নামে ঘাস লাগিয়ে ফের সেখানে ফুটপাত তৈরির নামে টাকা অপচয় করা হচ্ছে। আমরা এই ধরনের উন্নয়ন চাই না।’
ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক আলী রেজা অপুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের ৩০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
প্রসঙ্গত, রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী জাকারিয়ার ফোনালাপ ফাঁস এবং উপাচার্য একটি সেমিনারে ‘জয়হিন্দ’ বলাকে কেন্দ্র বর্তমান প্রশাসনকে দুর্নীতিবাজ উল্লেখ করে তাদের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষকরা। একাদশ সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের আগমণ উপলক্ষে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। আজ থেকে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষকরা।








