নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে হয়ে গেল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরাস্থ নিজস্ব ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আয়োজনের পর্দা নামলো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
আয়োজনে জাতীয় ক্যাটাগরি শীর্ষ দশের পুরস্কার পান, যুব যোবায়ের হোসাইন, নোভেরা হাসান নিক্কন, আহসাবুল ইয়ামিন (বিষপিঁপড়া), মহিতোষ কান্তি রয় (পরান পুতুল), জিয়াউল হক রাজু (পেপার কাইট), জায়েদ সিদ্দিকি (টেল অব এ একলিপটিক টাইম), এস এম বায়োজিদ হোসেন (বিজয় আসুক মনুষ্যত্বে), রাইয়ান মাহবুবুল মোমেন (ডিসটরশন) এবং গোলাম মুন্তাকিম (টোটাল বাংলাদেশ)। সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পান ইউল্যাবের ফুয়াদুজ্জামান ফুয়াদ। তার চলচ্চিত্র ‘ইজ ইট গুড টু রান অ্যাওয়ে?’ এর জন্য এই সম্মাননা পান তিনি।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে তৃতীয় স্থানে ছিল লন্ডন কলেজ অব কমিউনিকেশনের টম ডিনের চলচ্চিত্র ‘গোয়িং হোম’। দ্বিতীয় পুরস্কার পায় রূপকলাকেন্দ্রের সৌরভ ভদ্রের চলচ্চিত্র ‘দ্য আউটকাস্ট’। প্রথম পুরস্কার পায় ইউনিভার্সিটি অব আর্টস লন্ডনের সোফিয়া রোভল্টার চলচ্চিত্র ‘সোয়ান কেইজ’।
অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারুকী বলেন, এই সময়ে এই ধরনের আন্তর্জাতিক উৎসব করা অনেক বড় ব্যাপার। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সিনে অ্যান্ড ড্রামা ক্লাবকে সাধুবাদ জানান। একইসঙ্গে তিনি চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।
আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা শহিদুজ্জামান সেলিম। আয়োজকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ছাত্র পর্যায়ে এই ধরনের আয়োজনে তরুণ প্রজন্মের চলচ্চিত্র জগতে কাজ করার আগ্রহ আরও বাড়াবে।
আয়োজনের ভারতীয় ফিল্ম কিউরেটর অনিকেত বাগচি উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, কলকাতা এবং পুরো ভারত থেকেই অনেক শর্টফিল্ম সিলেক্টেড হয় এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে, তবে এর মধ্যে রূপকলাকেন্দ্র অন্যতম এবং ফেস্টিভ্যালে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। আশা করি নর্থ সউথ ইউনিভার্সিটি সিনে অ্যান্ড ড্রামা ক্লাব নিয়মিত এই ধরনের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করবে।
অনুষ্ঠানের শেষে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সিনে অ্যান্ড ড্রামা ক্লাবের সদস্যরা।








