জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে অসচ্ছল। ১০ শতাংশের বেশি এবং ১৫ শতাংশ কম অসচ্ছল শিক্ষার্থীর তালিকা দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে আরও ২০টি। শিক্ষার্থীদের ডিভাইস ও ইন্টারনেট খরচের সামর্থ্য নেই, এমন তালিকা পাঠিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) সাড়া দিয়েছিল ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তথ্য উঠে আসে। এ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৮৬ জন। যার মধ্যে অসচ্ছল ৪১ হাজার ৫০১ জন। যা মোট শিক্ষার্থীর ১৩.৬৫ শতাংশ।
এই তালিকা অনুয়ায়ী আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রায় ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫ হাজার ৫৫৬ জন শিক্ষার্থী অসচ্ছল। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় এই হার ১৯.৮৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম খুলনা প্রকৌশল ও বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩.৩৬ শতাংশ শিক্ষার্থী অসচ্ছল।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হার ১২ শতাংশ। বাংলাদেশের ৩৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীর তুলনায় যার হার ২ দশমিক ১৩ শতাংশ। এখানে বর্তমানে পড়ছেন ৭ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।
এদিকে করোনাকালে অনলাইন শিক্ষার জন্য স্মার্টফোন (মোবাইল) কিনতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ শত ৮৮ জন আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বিনা সুদে ৮ হাজার টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। গণমাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার ড. হুমায়ুন কবীর।
তিনি জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলো থেকে মোট ৮ শত ৮৮ জন আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীর আবেদনপত্র জমা পড়ে এবং ইউজিসি থেকে সবকটি আবেদন অনুমোদন পেয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন জানিয়েছে, স্মার্টফোন কিনতে বাংলাদেশের ৩৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ হাজার টাকা করে ঋণ পাবেন ৪১ হাজার ৫০১ জন শিক্ষার্থী।
ঋণ গ্রহীতা আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর অথবা অধ্যয়নকালীন সময়ে এই ঋণের টাকা চার কিস্তিতে বা এককালীন পরিশোধ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।








